৩৩.৮ শতাংশ প্রার্থীই নির্বাচনি ব্যয়সীমা অতিক্রম করেছেন: টিআইবি; গড় ব্যয় ১.১৯ কোটি টাকা
নির্বাচনি প্রচারণার সময় শেষ হওয়ার আগেই ৩৩.৮ শতাংশ প্রার্থী নির্বাচনি ব্যয়সীমা অতিক্রম করেছেন বলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণায় উঠে এসেছে।
রোববার টিআইবির অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
টিআইবি বলছে, অনুমোদিত সময়ের আগেই রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন। সকল সম্ভাব্য প্রার্থীর দেওয়াল লিখন ও পোস্টার লাগানো (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১২ (ধারা ৩ ও ৪) ভঙ্গ করে দেয়াল, খুঁটি, যানবাহন এবং বিভিন্ন স্থাপনায় পোস্টার ও প্রচারণা সামগ্রী লাগানো হয়।
প্রচারণার জন্য অনুমোদিত সময়ের আগেই দলগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে উল্লেখ করে বলা হয়, সার্বিকভাবে ৩৩.৮ শতাংশ প্রার্থী নির্বাচনি ব্যয়সীমা অতিক্রম করেছেন এবং ব্যয়সীমা অতিক্রম করা প্রার্থীরা গড়ে এক কোটি ১৯ লক্ষ ৬১ হাজার ৩১০ টাকা ব্যয় (৪ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) করেছেন।
কমিশন সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠ থেকে নির্বাচনি প্রচারণা সামগ্রী অপসারণের নির্দেশনা দিলেও ৮১.৩ শতাংশ প্রার্থীরা তা অমান্য করেছে। প্রচারণা সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়ার কারণে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোনে প্রচারণাকারী প্রার্থীরা হুমকি-ধামকিও দিয়েছেন।
প্রশাসনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা, দলের পক্ষে কাজ করার জন্য হুমকি দিয়ে নেতাদের বক্তব্য দিতে দেখা যায়।
