এই নির্বাচন নতুন বাংলাদেশ গড়ার মাইলফলক, জাতি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করবে না: আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি গুণগত 'নতুন বাংলাদেশ' গড়ার মাইলফলক। জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এই মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেন, 'জাতীয় পরিবর্তন, উন্নয়ন এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য এই নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের সময়। আশা করা যায় এই জাতি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করবে না।'
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার বড়ঘোপে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর সমর্থনে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, 'জাতি রক্ষার জন্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। নির্বাচনে যদি কোনো ধরনের কারচুপি বা ষড়যন্ত্র হয়, তবে এই জাতি তা রুখে দেবে এবং কোনোভাবেই তা মেনে নেবে না।' এ সময় তিনি সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ও দৃঢ় ভূমিকা পালন করে জাতিকে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, '৫ই আগস্টের পরে যারা নতুন করে চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের নীতি নিয়েছে, তারাই বাংলাদেশের নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই জালেমদের রুখে দেওয়ার দিন হচ্ছে ১২ই ফেব্রুয়ারি।'
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, 'বাংলাদেশের সরকার কে গঠন করবে তা নির্ধারণ করবে এদেশের জনগণ। দিল্লি থেকে কোনো ষড়যন্ত্র হলে তা মেনে নেওয়া হবে না এবং বাংলাদেশে আর কখনো দিল্লির দাদাগিরি চলবে না।'
তিনি উল্লেখ করেন, 'আমাদের এই নির্বাচনি লড়াই শুধু কক্সবাজার-২ আসনের জন্য নয়, বরং পুরো বাংলাদেশে ১১ দলীয় ঐক্যজোট ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি বাংলাদেশকে আধিপত্যবাদ, ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতিবাজ ও লুটেরাদের হাত থেকে দখলমুক্ত করার জন্য।'
নির্বাচনি সভায় বক্তারা উপস্থিত জনসাধারণকে 'দাঁড়িপাল্লা' প্রতীকে ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
সভায় সংশ্লিষ্ট আসনের জামায়াত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদসহ জোটের অন্যান্য স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
