নির্বাচনে ব্যবসায়ী কমেছে, আইনজীবী ও শিক্ষক বেড়েছে: টিআইবি
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের পেশাগত গঠনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। আগের চেয়ে ব্যবসায়ী প্রার্থী কমেছে, অপরদিকে আইনজীবি ও শিক্ষক বেড়েছে। বেশি কমেছে রাজনীতি পেশা।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একাদশ থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ব্যবসায়ী পেশার প্রার্থীদের আধিপত্য থাকলেও সর্বশেষ দ্বাদশ নির্বাচনে সেই হার কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে আইনজীবী ও শিক্ষক পেশার প্রার্থীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে।
টিআইবির তথ্যমতে, নবম সংসদ নির্বাচনে (২০০৮) মোট প্রার্থীর প্রায় ৪৭.৮৩ শতাংশ ছিলেন ব্যবসায়ী। দশম নির্বাচনে (২০১৪) এই হার বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬.৯১ শতাংশে। একাদশ নির্বাচনে (২০১৮) তা কিছুটা কমে ৫১.২০ শতাংশ হলেও দ্বাদশ নির্বাচনে (২০২৪) ব্যবসায়ী প্রার্থীর হার আরও বেড়ে দাড়ায় ৫৭.৬৭ শতাংশে। আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে ব্যবসায়ী প্রার্তী ৪৮.৪৮ শতাংশ। অন্যদিকে, আইনজীবী পেশার প্রার্থীদের অংশগ্রহণ ধীরে ধীরে বেড়েছে।
একাদশ নির্বাচনে আইনজীবী প্রার্থী ছিলেন ৯.৬০ শতাংশ, দ্বাদশে ছিল ৯.৪০ শতাংশ। যা ত্রয়োদশ নির্বাচনে বেড়ে হয়েছে ১১.৫৬ শতাংশ। একইভাবে শিক্ষক পেশার প্রার্থীর হারও বৃদ্ধি পেয়েছে। নবম নির্বাচনে যেখানে শিক্ষক প্রার্থী ছিলেন ১১.০৩ শতাংশ, দশমে ৩.১৩%, একাদশে ১০.৩৩%, দ্বাদশে ৫.০১%। যা ত্রয়োদশ নির্বাচনে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২.৬১ শতাংশে।
টিআইবির বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, চাকরিজীবী ও কৃষিজীবী পেশার প্রার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম হলেও তারা ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। রাজনীতিকে সরাসরি পেশা হিসেবে দেখানো প্রার্থীর হার সব নির্বাচনে তুলনামূলকভাবে কমই রয়ে গেছে। এবারে রাজনীতি পেশার প্রার্থী ১.৫৬%।
