জোটের স্বার্থে একটি আসন উন্মুক্ত রেখে ২৯ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করল এনসিপি
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে জোটগতভাবে প্রাপ্ত ৩০টি আসনের বিষয়ে চূড়ান্ত অবস্থানে পৌঁছেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর মধ্যে ২৯টি আসনে একক প্রার্থী নির্ধারণ করা হলেও ১০ দলীয় ঐক্যের স্বার্থে একটি আসন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
এনসিপির নির্বাচনি মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহবুব আলম জানান, জোটে এনসিপির জন্য মোট ৩০টি আসন চূড়ান্ত হয়েছে। এর মধ্যে মৌলভীবাজার-৪ আসনটি জোটের সমঝোতার অংশ হিসেবে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। বাকি আসনগুলোতে দলীয়ভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে।
দলীয় সূত্র মতে, দেশের উত্তর, দক্ষিণ, মধ্য ও পার্বত্য অঞ্চলে প্রার্থীরা ভোটের মাঠে নামছেন। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসনে তরুণ ও পরিচিত মুখদের প্রার্থী করেছে দলটি। একই সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জনপ্রিয় নেতৃত্বকেও প্রার্থী তালিকায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এনসিপির চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় রয়েছে পঞ্চগড়, দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পিরোজপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও মুন্সিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলার আসন। ঢাকার নির্বাচনি লড়াইয়ে মতিঝিল-রমনা-শাহবাগ এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা-৯ আসনে জাবেদ রাসিন এবং ঢাকা-১১ আসনে নাহিদ ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকা-১৮, ঢাকা-১৯ ও ঢাকা-২০ আসনেও এনসিপির প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে।
ঢাকার বাইরে গাজীপুর-২, নরসিংদী-২, নারায়ণগঞ্জ-৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩, কুমিল্লা-৪, নোয়াখালী-২ ও ৬ এবং লক্ষ্মীপুর-১ আসনেও লড়বে এনসিপি। এছাড়া চট্টগ্রাম-৮ আসনেও প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। পার্বত্য জেলা বান্দরবানে দলটির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এস এম সুজা উদ্দিন।
