চাঁদাবাজদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে, তারা এখন ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, চাঁদাবাজদের ঘুম অলরেডি হারাম হয়ে গেছে। তারা কোনো উপায় না পেয়ে এখন ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো শুরু করেছে। তারা ফোনে মানুষদের হুমকি দিচ্ছে কেন্দ্র দখল করবে, ভোট দিতে দেবে না, ভোটাধিকার কেড়ে নেবে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের ধলাহাস গ্রামে 'ভারতীয় আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রা'র অংশ হিসেবে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত এক দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হুন্ডা ও গুন্ডাবাহিনীর রাজনীতি এখন আর চলবে না উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, 'যারা হোন্ডা-গুণ্ডার ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন, আপনারা সাবধান হয়ে যান। গুণ্ডা-হোন্ডার ভয়ভীতি দেখানোর রাজনীতি এখন আর নাই। মানুষ এখন সচেতন, তারা কোনো ঋণখেলাপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। যারা নির্বাচিত হওয়ার পর জনগণের হক মেরে খাবে তাদের ভোট দিতে যাবে না।'
তিনি আরও বলেন, ''যদি সংস্কার চান, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ চান, নিজের ভোট নিজে দিতে চান, ভারতীয় গুণ্ডামি বন্ধ করতে চান তাহলে গণভোটে আপনারা 'হ্যাঁ' ভোট দেবেন। আপনার 'হ্যাঁ' ভোটেই গড়ে উঠবে আগামীর বাংলাদেশ।''
শহীদ ওসমান হাদির স্মৃতিচারণ ও ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'শহীদ ওসমান হাদি এই চাঁদাবাজ ও ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তারা তাকে বাঁচতে দেয়নি, আমরা শহীদ ওসমান হাদির রেখে যাওয়া কাজ বাস্তবায়ন করতে মাঠে নেমেছি। আমরা কখনোই ওসমান হাদির মতো হতে পারব না। তিনি মুড়ি-বাতাসা নিয়ে তার নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন, তিনি চেয়েছেন বাংলাদেশে যেন ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হয়, চাঁদাবাজ দুর্নীতি বন্ধ হয়, মানুষ তার ন্যায্য অধিকার থেকে যেন বঞ্চিত না হয়।'
হাদি হত্যার বিচারের অঙ্গীকার করে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও যোগ করেন, 'আজকে গ্রামে গ্রামে শহীদ হাদির জন্য দোয়া করছেন মা-বোনেরা ও বৃদ্ধ বাবারা। শহীদ ওসমান হাদি রাষ্ট্রে যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন, সেই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব আমরা নিলাম। আমরা শহীদ হাদির হত্যার বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করে ঘরে ফিরে যাব।'
শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
