ছবিতে জুমঘর: যেখানে রাখা হয় ধান ও জুমের ফসল
জুমধান কাটার পর যেখানে ধান জমা রাখা হয় সেটিই 'জুমঘর'। ফসল তোলার পর সুবিধামতো সময়ে চলে মাড়াইয়ের কাজ। এরপর কেউ ঝুড়ি (থুরুং) বা বস্তায় ভরে জুমধান ঘরে নিয়ে যান।
তবে শুধু ধান নয়, সাথী ফসলও জমা রাখা হয় জুমঘরে। প্রতিটি জুমক্ষেতেই ছোট-বড় আকারের জুমঘর তৈরি করা হয়।
ধানের পর ডিসেম্বর–জানুয়ারিতে আদা ও হলুদ তোলা হয়। তখনও এসব ফসল জুমঘরে স্তূপ করে রাখা হয়।
দুর্গম এলাকায় যাদের জুমঘর বাড়ি থেকে দূরে, তারা ফসল তোলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত জুমঘরেই থাকেন। রান্না, খাওয়া-দাওয়া ও রাতের ঘুম সবকিছুই চলে সেখানে। জুমের সব ফসল ঘরে তোলার পর চাষীরা জুমঘর ছেড়ে চলে আসেন।
এরপর রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত খালি পড়ে থাকে ঘরটি। সমতল ধানি জমি না থাকায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এভাবেই জুমচাষের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন।
ছবি: উসিথোয়াই মারমা