লোহাগাড়ায় সড়কে নিহত বেড়ে ১১, শিশু আরাধ্যাকে ঢাকায় স্থানান্তর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া চুনতি বন রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জন হয়েছে।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, 'আজ (শুক্রবার) বেলা ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমা ইসলাম নামের একজন মারা যান। এ নিয়ে এই দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু হল।'
এর আগে বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে মারা যান ১০ জন।
এছাড়া, বর্তমানে এ ঘটনায় চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও দুই জনের মধ্যে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন শিশু আরাধ্যা ও হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে আছেন দুর্জয় কুমার বিশ্বাস।
এদিকে লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মা-বাবাকে হারিয়ে আহত শিশু আরাধ্যা বিশ্বাসকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) চিকিৎসকদের পরামর্শে ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে তাকে স্থানান্তর করা হয়।
চমেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক ডা. ধীমান চৌধুরী বলেন, 'শিশুটির মাথায় আঘাত লেগেছে, শরীরের অন্যান্য স্থানেও জখম হয়েছে। দুই পায়ে প্লাস্টার করে দেওয়া হয়েছে।'
'তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়,' বলেন তিনি।