আমদানিকৃত টায়ারে শুল্ক বাড়ানোয় স্থানীয় টায়ার উৎপাদন বাড়বে: উৎপাদকরা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে হালকা ট্রাকের টায়ার আমদানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক এবং কৃষি টায়ারের ওপর ভ্যাট আরোপ করায় দেশে টায়ার উৎপাদন বাড়বে এবং আমদানি নির্ভরতা কমে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা।
আজ সোমবার (২২ জুন) ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানায় বাংলাদেশ টায়ার-টিউব ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমইএ)।
সংগঠনটির সহ-সভাপতি ও মেঘনা টায়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুল বারী লিখিত বক্তব্যে, শিল্পখাতের জন্য বাজেটের বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং সেগুলোর সম্ভাব্য বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান প্রভাব তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, "নতুন বিনিয়োগ আসবে এবং যেসব কারখানা বর্তমানে সক্ষমতার কম ব্যবহার করছে, সেগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারবে।"
তিনি আরও জানান, মেঘনা গ্রুপ একটি রেডিয়াল টায়ার কারখানা স্থাপনে প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত টায়ারের দাম আমদানিকৃত টায়ারের তুলনায় কম হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
যমুনা টায়ারের মহাব্যবস্থাপক সোহেল রহমান বলেন, টায়ার শিল্পে প্রতিটি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানের বিপরীতে প্রায় ১২টি পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। নতুন আরোপিত সম্পূরক শুল্ক আমদানি নিরুৎসাহিত করবে এবং দেশীয় উৎপাদকদের সহায়তা করবে।
তিনি জানান, গত বছর বাংলাদেশে প্রায় ৪,৭০০ কোটি টাকার টায়ার আমদানি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন রূপসা টায়ার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিরাজ রহমান; বিটিএমইএর সহ-সভাপতি ও অ্যাপেক্স হোসেন (হোসেন টায়ার)-এর প্রতিনিধি মো. ফয়সাল ফারুকে তুহিন; আকিজ ভেঞ্চার জিপির মহাব্যবস্থাপক মেজর (অব.) আরেফিন এবং আরএফএলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম।
