Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Wednesday
October 07, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
WEDNESDAY, OCTOBER 07, 2026
বঙ্গবাজারের দোভাষীরা কথা বলতে পারেন আধডজন ভাষায়!

ফিচার

প্রমিলা কন্যা
10 June, 2022, 09:40 pm
Last modified: 11 June, 2022, 11:50 am

Related News

  • বঙ্গবাজার: আগুনে ফিকে হলো যে বাজারের গল্প
  • বঙ্গবাজার পোড়ানোর ঘটনায় সাবেক মেয়র তাপসসহ ৩০ জনের নামে মামলা
  • পুড়ে ছাই হওয়া বঙ্গবাজারের নতুন মার্কেট ঘিরে আশায় বুক বাঁধছেন দোকান মালিকরা
  • অগ্নিকাণ্ডের বছরঘুরে এলেও ঈদে ব্যবসা জমেনি বঙ্গবাজারে
  • মার্কেট নির্মাণের আগ পর্যন্ত তাঁবু টাঙিয়ে ব্যবসা করতে চান বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীরা

বঙ্গবাজারের দোভাষীরা কথা বলতে পারেন আধডজন ভাষায়!

বঙ্গ বাজারে গেলে হয়তো আপনার চোখে পড়বে একদল নারী-পুরুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে ফটকের আশপাশে। তারা দোভাষী। ইংরেজি, ফারসি, আরবি, ফরাসি—এমন নানা ভাষা বলতে পারেন সাবলীল দক্ষতায়। বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বিদেশিদের জন্য অপেক্ষা করেন তারা। একাধিক ভাষা জানলেও এই দোভাষীদের অনেকেই প্রাথমিকের গণ্ডিও পেরোননি।
প্রমিলা কন্যা
10 June, 2022, 09:40 pm
Last modified: 11 June, 2022, 11:50 am

মো. আরমান তখন পুরান ঢাকার একটা বেকারিতে কাজ করেন। একবার এক ক্রেতা তাকে ইংরেজিতে খাবারের অর্ডার দিলেন। তার হাবভাবে বেশ ঔদ্ধত্য ছিল। ব্যাপারটা আরমানের পছন্দ হয়নি।

তাই 'লোকটা যখন কোক চাইল, আমি বলে দিলাম, নেই। ইংরেজিতে। ওই সময় লোকটার চেহারা যদি দেখতেন!' আরমানের কণ্ঠে গর্বের ছোঁয়া।

দারুণ সাবলীলভাবে ইংরেজি বলেন আরমান। শুনে প্রায় সহজাত মনে হয়। আসলে 'শো অফ' করা ক্রেতার গল্পটাও তিনি ইংরেজিতেই শোনাচ্ছিলেন।

অসাধারণ ব্যাপার হচ্ছে, প্রাথমিকের গণ্ডি না পেরোনো একজন মানুষ ইংরেজি, আরবি, ফারসি, ফরাসিসহ আধডজন ভাষায় কথা বলতে শিখে গেছেন। বাজারের অভিজ্ঞ দোভাষী আরমান জানালেন, 'আমি একদিনও স্কুলে যাইনি। কাজ করতে করতে, বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছি।'

শুধু আরমান না, গুলিস্তানের বঙ্গবাজারে তার মতো আরো ১৮ জন আছেন যারা বিভিন্ন বিদেশি ভাষায় কথা বলতে পারেন। তবে তারা এসব পড়তে বা লিখতে জানেন না। ভাষাগুলো তারা শিখেছেন দীর্ঘকাল বিদেশিদের সংস্পর্শে থাকতে থাকতে।

তৈরি পোশাক পণ্যের জনপ্রিয় পাইকারি বাজার হলো বঙ্গ বাজার। এই দোভাষীরা বাজারে আসা বিদেশি ক্রেতাদের সাহায্য করেন, দোকান মালিকদের সঙ্গে দরাদরি করতে সাহায্য করেন। 

বঙ্গবাজারের কাছে একটি ভবনের সিঁড়িতে রাবিয়া আর আরমানের সঙ্গে দেখা হয় আমাদের। দোভাষীরা সাধারণত গ্রাহক ধরার জন্য এখানে বসেই অপেক্ষা করেন ধৈর্য ধরে।

খানিকক্ষণ বোঝানোর পর আমাদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হলেন তারা। তবে এক শর্তে—ছবি তোলা যাবে না। 'আমাদের ছবি তুলে লাভ কী? পরিবারের লোকজন খবরের কাগজে আমাদের ছবি দেখবে!'

বছর চল্লিশের শীর্ণকায় মহিলা রাবিয়া। হাতে ছোট্ট মোবাইল, বসে ছিলেন সাদা সাদা টাইলস করা সিঁড়িতে। চেহারায় চিন্তার ছাপ। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, 'সকাল থেকে একটাও গ্রাহক পাইনি।'

তার স্বামীও দোভাষী, কিন্তু তিনি অসুস্থ থাকায় সেদিন আসেননি। রাবিয়ার কাছে তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাপারে জানতে চাইলাম। জিজ্ঞেস কলাম রাবিয়ার ভাষা-দক্ষতায় তাদের কৌতূহল হয় কি না।

তিনি জবাব দিলেন, 'মাঝে মাঝে আমি যখন কোনো বিদেশির সাথে ফোনে কথা বলি, তখন বাচ্চারা আমাকে বাক্যগুলোর অর্থ জিজ্ঞেস করে, এর বেশি কিছু না।'

তবে রাবিয়া ইংরেজির চেয়ে আরবিতে বেশি সাবলীল। আর দশজন কৌতূহলী বাঙালির মতোই আমরাও তাকে আরবি ভাষায় কিছু বলে শোনাতে অনুরোধ করলাম। কিন্তু তিনি খুব লজ্জা পাচ্ছিলেন। বললেন, 'টেলিভিশনে যেমন শোনেন, ঠিক তেমনটাই। আলাদা কিছু না।'

আরমান ছোট মাপের দোভাষী। অনিশ্চিত এই পেশায় নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা বা উপার্জন নেই এ পেশায়। তাই তাকে কয়েক মাস বেকারিতে কাজ করতে হয়েছে।

পারিশ্রমিক হিসেবে গ্রাহকরা ২০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা—যেকোনো অঙ্কের অর্থ দিতে পারেন। পারিশ্রমিকের পরিমাণ নির্ভর করে তারা দোভাষীর সেবায় কতটা সন্তুস্থ হয়েছেন, তার ওপর। কখনও কখনও দোকান মালিকরা বিক্রির ভিত্তিতে তাদের কমিশন দেয়। কিন্তু শতাংশ কমিশন পান, তা জানাননি তারা।

পুরোনো কোনো গ্রাহক কল করে বা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করে না এলে বিদেশি ক্রেতারা আর বঙ্গবাজারে আসেন না। তাই আরমান, রাবিয়া, সুমি, কলি ও অন্য তাদের সহকর্মীরাও বাজারে নিয়মিত আসেন না।

কিন্তু একটা সময় ছিল যখন নির্দিষ্ট এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট শিডিউলের উপর ভিত্তি করে তাদের নির্দিষ্ট কর্মদিবস ছিল। এয়ারলাইন্সের ক্রুরা ছিলেন বঙ্গ বাজারের শীর্ষ বিদেশি ক্রেতা।

আরমান বললেন, 'শুক্র-শনিবারে আমাদের প্রচুর ক্রেতা থাকত যারা সৌদি, কাতার এবং [সংযুক্ত আরব] আমিরাতে কাজ করেন। মঙ্গলবারে থাকত কিছু ফ্লাইট। তাই মঙ্গলবারে আমরা অনেক গ্রাহক পেতাম।'

তিনি জানালেন, আগে শেরাটন হোটেল (বর্তমানে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা) ও প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ওঠা বিদেশি গ্রাহকদের জন্য বঙ্গবাজারে যাতায়াত করাই বেশি সহজ হতো।

কিন্তু যানজট ও বিমানবন্দরের কাছে নতুন নতুন হোটেল গড়ে ওঠার কারণে বিদেশি ক্রেতারা হোটেলের কাছাকাছি শপিং মলগুলো যেতেই পছন্দ করেন বেশি। আরমান বলেন, 'বসুন্ধরার মতো এলাকায় আরও কিছু দোকান আছে যেগুলোতে গার্মেন্টস পণ্য বিক্রি হয়। এয়ার-কন্ডিশনিং আর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য একটু বাড়তি টাকা গুনতে ক্রেতারা আপত্তি করেন না।'

দোকানগুলো মাঝে মাঝে গ্রাহকদের ছাড় ও পরিবহন সেবা দেয় বলে জানালেন তিনি।

সব দোভাষীর সঙ্গে দেখা করতে পারলাম না। কারণ ব্যবসার অবস্থা খারাপ। তাই তাদের কেউ কেউ অন্য পেশায় চলে গেছেন (যেমন গ্রাহকদের কাপড় প্যাকিং ও বক্সিংয়ে সহায়তা করা)। নতুন দোভাষীরা কেন তাদের দলে যোগ দিতে পারেন না, জানালেন আরমান ও রাবিয়া।

তারা বলেন, 'নতুন কাউকে সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বাস করা যায় না। ধরেন, একজন গ্রাহক কয়েক লাখ টাকার পণ্য কিনলেন, আর নতুন দোভাষী সেগুলো নিয়ে পালাল, তখন? বছরের পর বছর ধরে গড়ে তোলা সুনাম তো আর ধূলায় মিশে যেতে দিতে পারি না।'

স্ত্রী, বাবা-মা ও ভাইবোনদের নিয়ে পুরান ঢাকায় থাকেন আরমান। একটা ছোট দোকান ছিল তার। করোনাকালে লকডাউনের সময় দোকানটা বন্ধ করে দিতে হয় তাকে।

১৫ বছর ধরে দোভাষী হিসাবে কাজ করছেন আরমান। সেই অভিজ্ঞতার জোরে তিনি আত্মবিশ্বাসী, যে-কাউকে কথোপকথনের ইংরেজি শেখাতে পারবেন। মজার ছলে তিনি বললেন, 'আমি যদি এখন ভাষা ক্লাসে ভর্তি হই, ১০ মিনিটের মধ্যে সব কোর্স শেষ করে ফেলব!'

তাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া শেষ হওয়ার পর আরও কয়েকজন দোভাষীর সঙ্গে দেখা করার আশায় অপেক্ষা করছিলাম আমরা। কিন্তু সুমি জানালেন—তিনজনের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে কম কথা বলছিলেন—অপেক্ষা করে লাভ নেই। একগাল হেসে বললেন, 'ওদের পাবেন না। কাস্টমারের খোঁজে সবসময় দৌড়ের ওপর থাকে ওরা।'

তার কথা শেষ হতে-না-হতেই একটা রুপালি ল্যান্ড রোভার এসে থামল কাছাকাছি। গাড়িটা দেখেই সেদিকে প্রায় দৌড়ে গেলেন সুমি। তাড়াহুড়ায় পা থেকে একটা চপ্পল খুলে গেল তার।

দীর্ঘশ্বাস ফেলে আরমান বললেন, 'কাস্টমার বোধহয়!'

Related Topics

টপ নিউজ

দোভাষী / বঙ্গ বাজার / বঙ্গবাজার

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ‘এক রুট, এক কোম্পানি’: ঢাকার বাসের নৈরাজ্য থামাতে ৩২ রুটের ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলের পরিকল্পনা
    ‘এক রুট, এক কোম্পানি’: ঢাকার বাসের নৈরাজ্য থামাতে ৩২ রুটের ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলের পরিকল্পনা
  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    সুদের দায় কমাতে সরকারের নতুন পরিকল্পনা: সরে আসবে চড়া সুদের ট্রেজারি বন্ড থেকে
  • ২০১৬ সালের পর এ রুটে আর নতুন কোনো বাস যুক্ত হয়নি। এরপর কোভিড-১৯ মহামারির ধাক্কায় থমকে যায় ৬ নম্বর বাসের চলাচল। ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন/টিবিএস
    ৬ নম্বর বাস: হারিয়ে যাওয়া এক সময়ের শেষ স্মৃতি
  • বগীবিল টার্মিনাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ৫৪০ মেট্রিক টন মিথানলবাহী একটি বার্জ যাত্রা শুরু করেছে। ছবি: ভারতীয় অভ্যন্তরীণ জলপথ কর্তৃপক্ষ
    ৭০ বছর পর চালু হলো ডিব্রুগড় নদীবন্দর: প্রথমবারের মতো আসাম থেকে বাংলাদেশে নৌপথে পণ্য পরিবহন শুরু
  • ছবি: টিবিএস
    নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী
  • সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত
    ২০২৭ সালে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হবে নতুন ৪ বই: শিক্ষামন্ত্রী

Related News

  • বঙ্গবাজার: আগুনে ফিকে হলো যে বাজারের গল্প
  • বঙ্গবাজার পোড়ানোর ঘটনায় সাবেক মেয়র তাপসসহ ৩০ জনের নামে মামলা
  • পুড়ে ছাই হওয়া বঙ্গবাজারের নতুন মার্কেট ঘিরে আশায় বুক বাঁধছেন দোকান মালিকরা
  • অগ্নিকাণ্ডের বছরঘুরে এলেও ঈদে ব্যবসা জমেনি বঙ্গবাজারে
  • মার্কেট নির্মাণের আগ পর্যন্ত তাঁবু টাঙিয়ে ব্যবসা করতে চান বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীরা

Most Read

1
‘এক রুট, এক কোম্পানি’: ঢাকার বাসের নৈরাজ্য থামাতে ৩২ রুটের ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলের পরিকল্পনা
বাংলাদেশ

‘এক রুট, এক কোম্পানি’: ঢাকার বাসের নৈরাজ্য থামাতে ৩২ রুটের ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলের পরিকল্পনা

2
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
অর্থনীতি

সুদের দায় কমাতে সরকারের নতুন পরিকল্পনা: সরে আসবে চড়া সুদের ট্রেজারি বন্ড থেকে

3
২০১৬ সালের পর এ রুটে আর নতুন কোনো বাস যুক্ত হয়নি। এরপর কোভিড-১৯ মহামারির ধাক্কায় থমকে যায় ৬ নম্বর বাসের চলাচল। ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন/টিবিএস
ফিচার

৬ নম্বর বাস: হারিয়ে যাওয়া এক সময়ের শেষ স্মৃতি

4
বগীবিল টার্মিনাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ৫৪০ মেট্রিক টন মিথানলবাহী একটি বার্জ যাত্রা শুরু করেছে। ছবি: ভারতীয় অভ্যন্তরীণ জলপথ কর্তৃপক্ষ
আন্তর্জাতিক

৭০ বছর পর চালু হলো ডিব্রুগড় নদীবন্দর: প্রথমবারের মতো আসাম থেকে বাংলাদেশে নৌপথে পণ্য পরিবহন শুরু

5
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী

6
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

২০২৭ সালে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হবে নতুন ৪ বই: শিক্ষামন্ত্রী

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net