শরিফুল-এবাদতের তোপের পর আফগানিস্তানের প্রতিরোধ
দ্বিতীয় দিনের সকালটা দুঃসহ কেটেছে বাংলাদেশের। ৫ উইকেটে ৩৬২ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করা বাংলাদেশের ইনিংস পরের দিন চোখের নিমেষেই শেষ হয়ে যায়। মাত্র ২০ রানের মধ্যে বাকি ৫ উইকেট খুইয়ে ৩৮২ রানে অলআউট হয় ঘরের মাঠের দলটি। বাংলাদেশ শিবিরে যে হতাশার শেষ নেই, তা বলাই বাহুল্য। এই হতাশায় অবশ্য প্রলেপ পড়তে সময় লাগেনি, বল হাতে রীতিমতো শাসন করেছেন বাংলাদেশের বোলাররা।
৫১ রানের মধ্যেই আফগানিস্তানের ৪টি উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের চেপে ধরেন বাংলাদেশের দুই পেসার শরিফুল ইসলাম ও এবাদত হোসেন। দুজনই ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। মাঝ দরিয়ায় পড়ে যাওয়া আফগানিস্তান শিবিরে স্বস্তি ফেরাতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন নাসির জামাল ও আফসার জাজাই। এ দুজনের প্রতিরোধে ২৩ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৬ রান তুলেছে সফরকারীরা। নাসির ৩৪ ও জাজাই ২৭ রানে ব্যাটিং করছেন।
১৪ জুন মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে আফগানরা। দলীয় ১৮ রানে তাদের ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানকে ফিরিয়ে দেন শরিফুল। এই চাপ কাটিয়ে ওঠার আগেই এবাদতের আঘাত, তার শিকার আব্দুল মালিক।
তৃতীয় উইকেট তুলে নিতেও বেশি সময় নেয়নি বাংলাদেশ। একাদমথম ওভারে রহমত শাহকে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন এবাদত। দলের দুঃসময়ে চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি অধিনায়ক হাশমতুল্লাহ শহিদি। দুই ওভার পরই তাকে সাজঘর দেখিয়ে দেন শরিফুল। কঠিন চাপের মুখে পড়ে যাওয়া দলের হাল ধরে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন নাসির ও আফসার।
এর আগে সকালে ব্যাটিং করতে নামেন বাংলাদেশের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু দুজনের কেউ টিকতে পারেননি, একেবারে কাছে গিয়ে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পারেননি তারা। মুশফিক ৭৬ বলে ৪টি চারে ৪৬ ও মিরাজ ৮০ বলে ৮টি চারে ৪৮ রান করেন। পরের ব্যাটসম্যানরা উইকেটে গেছেন আর ফিরেছেন। আফগানদের অভিষিক্ত পেসার নিজাত মাসুদ ৫টি উইকেট নেন। এ ছাড়া ইয়ামিন আহমাদজাই ২টি এবং করিম জানাত, আমির হামজা ও রহমত শাহ একটি করে উইকেট পান।
