Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
March 27, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, MARCH 27, 2026
মব লিঞ্চিংয়ের এক ‘অসহায় দর্শক’ কাজী আনোয়ার হোসেন

ইজেল

কাজী আনোয়ার হোসেন
29 September, 2024, 02:00 pm
Last modified: 29 September, 2024, 01:58 pm

Related News

  • রাজশাহীর পুঠিয়ায় ডাকাত সন্দেহে ৮ জনকে গণপিটুনি, নিহত ১; কর্ণহারে আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার
  • মব জাস্টিস নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন করতে হবে: মির্জা ফখরুল
  • ফরিদপুরে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ১, আহত ৩
  • ধানমন্ডিতে পিটুনির শিকার নারী জুলাইয়ে হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে
  • বাগেরহাটে গরু চুরির অভিযোগ: এলাকাবাসীর ধাওয়ায় পিকআপ খাদে, গণপিটুনিতে নিহত ১

মব লিঞ্চিংয়ের এক ‘অসহায় দর্শক’ কাজী আনোয়ার হোসেন

কাজী আনোয়ার হোসেন
29 September, 2024, 02:00 pm
Last modified: 29 September, 2024, 01:58 pm

হয়তো এরা দুষ্কৃতকারী। হয়তো নয়। রায় দেবে আদালত। আদালতের রায়কে দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষা করা হয়েছে। জনসাধারণ নিজেরাই বিচারের ভার নিয়ে দুষ্কৃতকারীদের পিটিয়ে মেরে ফেলছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সরকার এগুলো অনুমোদন করেন না। দুষ্কৃতকারীদের শাস্তি দিতে হবে—এ সম্পর্কে কেউ ভিন্ন মত পোষণ করেন না। তবে সে শাস্তি আইনসঙ্গত হওয়াই বাঞ্ছনীয়। নিজের হাতে আইন তুলে নেয়াও অপরাধের গণ্ডীতে পড়ে। শহরের পথে হঠাৎ কোন পথচারীকে যখন রাজাকার বা আলবদর বলে উল্লাসে পিটিয়ে মারা হয় তখন এ কাজকে কোনক্রমেই মানবীয় বলা যায় না।

এ ধরনের একটি ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী নিবন্ধকার কাজী আনোয়ার হোসেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তিনি যা উপলব্ধি করেছেন—লিপিবদ্ধ করছেন। আমরা আশা করবো এদেশের সকল সচেতন নাগরিক এ ধরনের নৃশংস ঘটনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন।

বিচিত্রা ২২ জুন ১৯৭২


ছেলেটাকে পিটিয়ে মারল লোকগুলো। এই সেগুন বাগানে, একশো চল্লিশ নম্বর বাড়ীর সামনে, রাজার তেমাথায়। গতকাল তেরই মে, শনিবার, বেলা বারোটায়।

দোষী মনে হচ্ছে আমার নিজেকে।

দোতালায় বসে লিখছিলাম। সকাল সোয়া দশটা। টাশশ করে একটা পিস্তলের আওয়াজ। তারপর হৈ চৈ। বারান্দায়  বেরিয়ে দেখার চেষ্টা করলাম। গাছপালার জন্যে দেখা যাচ্ছে না। তিরিশ গজ দূরে রাস্তার ঐ তেমাথায় গোলমাল।

আবার এসে লিখতে বসলাম। কিন্তু চিৎকার বেড়েই চলেছে। আবার বারান্দায় এলাম। রাস্তার লোকজনকে জিজ্ঞেস করলাম, বলল—দুজন ডাকাত ধরা পড়েছে। খানায় ফোন করেই ক্যামেরা নিয়ে ছুটলাম, ছবি তুলব ডাকাতের।

দেড়শো-দুশো লোক জড়ো হয়ে মারছে। অনেককে জিজ্ঞেস করলাম—কি ব্যাপার? কেউ সঠিক কোন জবাব দিতে পারল না। আসলে কি হয়েছে কেউ জানেই না ঠিকমত! টুকরো টুকরো জানা গেল: বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কোন এক ব্যাঙ্ক লুট করে পালাচ্ছিল তিনজন হাইজ্যাক করা গাড়ী নিয়ে, ব্যাঙ্কে একজনকে গুলি করে মেরে রেখে এসেছে, বাধা দেয়ার চেষ্টা করায় একজন ট্রাফিক পুলিশকে গুলি করে হত্যা করেছে, পিছু ধাওয়া করেছিল পুলিশ—দিশে হারিয়ে রাস্তায় গাড়ী চাপা দিয়ে মেরেছে দুজনকে, কলেজ অব মিউজিকের সামনে একটা রিক্সাকে ধাক্কা মেরে উল্টে ফেলে দিয়ে গাড়ী থেকে নেমে দৌড় দিয়েছে, পালাবার সময় গুলি ছুড়েছে রিভলভারের, একজন পালিয়ে গেছে, বাকি দুজন ধরা পড়েছে, লোকজন মারছে ওদেরকে। কেউ বলল ওরা রাজাকার, কেউ বলল বিহারী, কেউ বা বলছে নক্সালাইট, আলবদর।

ঠেলাঠেলির মধ্যে আরেকটু এগিয়ে ছবি তুলতে শুরু করলাম। দেখলাম একজন সাদা ইউনিফরম পরা ট্রাফিক পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে। হাতে একটা রিভলভার।

এই নিরিবিলি এলাকায় এত লোক কোথা থেকে জড়ো হয়ে গেল বুঝতে পারলাম না। সবাই মারছে। ডাল ভেঙ্গে নিয়েছে কেউ কাঁঠাল গাছের, এরই মধ্যে মোটা একটা মুগুর সংগ্রহ করে ফেলেছে একজন কোথা থেকে। কিল, ঘুষি, লাথি, কনুই চলেছে এন্তার। উন্মত্ত হয়ে উঠেছে লোকগুলো। একটা কণ্ঠস্বর শুনা গেল—ছুরি লইয়া আয়, জবো কইরা ফালামু শালারে।

মারের চোটে রাস্তায় শুয়ে পড়ল সিদ্দিক। রোববারের কাগজ দেখে ওর নামটা জানতে পারলাম। নীল হয়ে গেছে মুখ, গা। কুঁকড়ে পড়ে আছে মাটিতে, থামছে না মার।

এদের প্রতি পাঠকের সহানুভূতি আনার চেষ্টা করছি না। আমি শুধু বলতে চাই, কেউ জানে না কেন ওদের মারা হচ্ছে। দিকবিদিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে সবাই। মেরেই চলেছে নেশাগ্রস্তের মত।

ক্যামেরার স্ট্র্যাপ ছিঁড়ে গেল ধাক্কাধাক্কিতে। ওদিকে প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে পাঁচিল টপকে মহিলা পরিষদের অঙ্গনে লাফিয়ে পড়েছে অপর ছেলেটা। নাম ফারুক। ত্রিশ চল্লিশ জন ঢুকে পড়ল পিছু পিছু। শিলা বৃষ্টির মত পড়ছে কিল ঘুষি। আরো কয়েকটা লাকড়ি সংগ্রহ করে ফেলেছে জনতা, ততক্ষণ রক্তে ভেসে যাচ্ছে ফারুকের সর্বাঙ্গ। হঠাৎ দেয়ালের পাশে কয়েকটা কয়েকটা দশ ইঞ্চি ইটের সন্ধান পেল জনতা। তাই দিয়ে মারতে শুরু করল দমাদম। 

ক্যামেরা হাতে আমাকে দেখে হয়ত ফারুক মনে করল আমি সাংবাদিক, হয়ত সাহায্য পাবে আমার কাছে। ছুটে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ল আমার বুকে।

'বাঁচান, ভাই। আমারে বাঁচান।'

চোখের একপাশ ফেটে গেছে, নাক মুখ দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে দরদর করে। সুন্দর, স্বাস্থ্যবান ছেলেটা—বিশ বছর বয়স হবে—বিবর্ণ হয়ে গেছে চেহারা, অসহায়, কাতর দৃষ্টি আমার মুখের ওপর। অসীম আকুতি ওর ওই দুই চোখে। হাঁপাচ্ছে। রক্তের ছোপ লেগে গেল আমার সার্টে, ঠিক বুকের কাছে। খামচে ধরেছিল, ছিঁড়ে গেল গেঞ্জিটা টান লেগে। ছিনিয়ে নিয়ে গেল ওকে ক্রুদ্ধ জনতা।

পারলাম না। বাঁচাতে পারলাম না আমি ফারুককে। নিজের চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে করছে এখন। আমি জানতাম না মারা যাবে ছেলেটা। তখন বুঝতে পারলে হয়ত চিৎকার করে মানুষকে বোঝাবার চেষ্টা করতাম, বলতে পারতাম—বিচার পাওয়ার অধিকার আছে ওর। হয়ত আমার কথা শুনত কেউ কেউ। হয়ত কিছুটা কমত মারের পরিমাণ। অনেক কিছুই মনে হচ্ছে এখন। যদি বলতাম, ঠিক আছে, কে কে মারতে চাও, এসো, কিন্তু মরে গেলে দায়ী হতে হবে তোমাদের—যদি বলতাম, খবর্দার কেউ ওর গায়ে হাত দেবে না, পুলিশের হাতে জ্যান্ত তুলে দিতে হবে ওকে পুরো দলের খবর বেরোবে ওর কাছ থেকে—কিম্বা সত-আট জন লোক সংগ্রহ করে নিয়ে যদি রুখে দাঁড়াতাম, দু-চার ঘা  পড়ত আমার পিঠে, কিন্তু তাহলে হয়ত বেঁচে যেত ছেলেটা। কার না জানি চোখের মণি।

অনেক কিছুই তাবছি এখন, অনেক কিছুই করা যেত, কিন্তু কিছুই করতে পারিনি। মেরে যে ফেলবে, একথা ভাবতেই পারিনি আসলে। ভেবেছি, নিশ্চয় কিছু একটা দোষ করেছে, আমি জানি না, কিন্তু যারা মারছে তারা কি কিছুই না জেনে মারছে। ভেবেছি, পুলিশ আসছে, পুলিশের হাতে তুলে দিলেই ঝঞ্জাট শেষ। নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকা পালন করেছি আমি। দায়িত্বজ্ঞানহীনের কাজ করেছি। রাত আড়াইটা-তিনটা পর্যন্ত ফটোগুলো ডেভেলপ ও প্রিন্ট করে পরদিন এ নিয়ে লিখতে বসলেই এ অপরাধ বোধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। কিছু না কিছু চেষ্টা করা উচিত ছিল আমার। 

এলো পুলিশ। কিন্তু তখনো মেরে চলেছে ওরা। কাছে এগোনো যাচ্ছে না ভিড় ঠেলে। মনে হল, ক্ষিপ্ত জনতার হাবভাব ঠিক বুঝতে না পেরে দৃঢ় ভূমিকা গ্রহণ করতে দ্বিধা করছে পুলিশ। দেখলাম পুলিশের সামনেই টেনে-হিঁচড়ে মহিলা পরিষদের সিঁড়ি থেকে রাস্তায় নামিয়ে আনছে ওরা ফারুককে।

ভাবলাম, তবু পুলিশ নামের গুণ আছে, অবস্থা আয়ত্তে আনতে অসুবিধে হবে না। হাঁপ ছেড়ে ফিরে এলাম বাসায়। মিনিট দশেক পরই ছুটে এল নীচতালার চাকরটা। বলল—মেরেই ফেলেছে একজনকে।

'কীভাবে মারল? পুলিশ কি করছে?'

একটাকে নিয়ে চলে গেছে পুলিশ। আর আরেকটাকে (ফারুক) নিতে পারেনি। দম ছিল কিছুটা, গলায় পা দিয়ে দম বের করে দিয়েছে লোকেরা।

ছুটলাম আবার।

মরে পড়ে আছে ফারুক। পরনে শুধু জাঙ্গিয়া। সার্ট খুলে নিয়ে গেছে কেউ। প্যান্টটা কেন হাঁটুর নীচ পর্যন্ত টেনে নামান হয়েছে বোঝা গেল না। রাস্তার ওপর চিৎ হয়ে পড়ে আছে লাশটা। পাশে পড়ে আছে ছেঁড়া একটা কাঁঠাল পাতা।

বুকটা ধরে আসতে চায়। অন্যায় করেছি আমরা ফারুকের উপর। যত দোষই করে থাকুক, থানা আছে, পুলিশ আছে, আইন আছে, আদালত আছে—আমার আপনার মতই বিচার পাওয়ার অধিকার ছিল ওর। এমন একটি জনতা ওর বিচার করল, আসল ঘটনা সম্পর্কে যাদের স্পষ্ট কোন ধারণাই নেই। এর নাম জনতার বিচার।

পুলিশ সূত্রের উল্লেখ করে আসল ঘটনাটা ছাপা হয়েছে রোববার এই পত্রিকাতেই। আপনি নিশ্চয়ই পড়েছেন? জানা গেল: ব্যাঙ্ক লুট করেনি ওরা, গাড়ীটা হাইজ্যাক করা কি না তাতে সন্দেহ আছে, ব্যাঙ্কের কাউকে গুলি করে খুন করেনি ওরা, ট্রাফিক পুলিশ নিহত হয়নি ওদের গুলিতে, এবং রাজাকার বা আলবদরের কেউ ছিল না ওরা। ব্যাপারটা অন্য কিছু।

স্বাধীনতার পর দ্রব্যমূল্য অনেক বেড়েছে, প্রাণের মূল্যই কি শুধু কম থাকবে?

Related Topics

টপ নিউজ

মব লিঞ্চিং / মব জাস্টিস / বিচিত্রা / মব ট্রায়াল / গণপিটুনি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    তারেক রহমানের জামিনের জন্য আমি সরাসরি বিচারককে ফোন করেছি: আদালতে মামুন খালেদ 
  • মানচিত্রে দেখানো হয়েছে হরমুজ প্রণালিকে, যা বিশ্ববাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এক নৌপথ। ইলাস্ট্রেশন: রয়টার্স
    হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ নয়, বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজ চলতে পারবে: ইরান
  • ২৫ মার্চ, ২০২৬; এদিন ওয়াশিংটন ডিসি-তে রিপাবলিকান দলের জাতীয় কংগ্রেসের তহবিল সংগ্রহের নৈশভোজ আয়োজনে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    হতবাক ট্রাম্প, তার শুরু করা যুদ্ধ ইরান শেষ করতে দিচ্ছে না!
  • ছবি: এমিরেটস এয়ারলাইনসের সৌজন্যে
    এভিয়েশনে ঝাঁকুনি দিয়েছে ইরান যুদ্ধ, সংঘাত দীর্ঘ হলে যেভাবে বদলাবে বিমানযাত্রা
  • ইরানযুদ্ধে আকাশছোঁয়া হচ্ছে বিমানভাড়া
    ইরানযুদ্ধে আকাশছোঁয়া হচ্ছে বিমানভাড়া
  • সৌদি আরবের রাস তানুরায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যে একটি ড্রোন হামলার পর সৌদি আরামকোর তেল শোধনাগার থেকে ধোঁয়া উড়ছে। ছবি: রয়টার্স
    যুদ্ধ শেষ হলে ইরান পুনর্নির্মাণের কাজ পেতে পারে যেসব প্রতিষ্ঠান

Related News

  • রাজশাহীর পুঠিয়ায় ডাকাত সন্দেহে ৮ জনকে গণপিটুনি, নিহত ১; কর্ণহারে আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার
  • মব জাস্টিস নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন করতে হবে: মির্জা ফখরুল
  • ফরিদপুরে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ১, আহত ৩
  • ধানমন্ডিতে পিটুনির শিকার নারী জুলাইয়ে হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে
  • বাগেরহাটে গরু চুরির অভিযোগ: এলাকাবাসীর ধাওয়ায় পিকআপ খাদে, গণপিটুনিতে নিহত ১

Most Read

1
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

তারেক রহমানের জামিনের জন্য আমি সরাসরি বিচারককে ফোন করেছি: আদালতে মামুন খালেদ 

2
মানচিত্রে দেখানো হয়েছে হরমুজ প্রণালিকে, যা বিশ্ববাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এক নৌপথ। ইলাস্ট্রেশন: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ নয়, বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজ চলতে পারবে: ইরান

3
২৫ মার্চ, ২০২৬; এদিন ওয়াশিংটন ডিসি-তে রিপাবলিকান দলের জাতীয় কংগ্রেসের তহবিল সংগ্রহের নৈশভোজ আয়োজনে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

হতবাক ট্রাম্প, তার শুরু করা যুদ্ধ ইরান শেষ করতে দিচ্ছে না!

4
ছবি: এমিরেটস এয়ারলাইনসের সৌজন্যে
আন্তর্জাতিক

এভিয়েশনে ঝাঁকুনি দিয়েছে ইরান যুদ্ধ, সংঘাত দীর্ঘ হলে যেভাবে বদলাবে বিমানযাত্রা

5
ইরানযুদ্ধে আকাশছোঁয়া হচ্ছে বিমানভাড়া
আন্তর্জাতিক

ইরানযুদ্ধে আকাশছোঁয়া হচ্ছে বিমানভাড়া

6
সৌদি আরবের রাস তানুরায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যে একটি ড্রোন হামলার পর সৌদি আরামকোর তেল শোধনাগার থেকে ধোঁয়া উড়ছে। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ শেষ হলে ইরান পুনর্নির্মাণের কাজ পেতে পারে যেসব প্রতিষ্ঠান

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net