Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Tuesday
August 25, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
TUESDAY, AUGUST 25, 2026
‘ছয় মাস পরেও সরকার পতিত সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করছেন’: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ফিচার

টিবিএস ইন্টারভিউ
21 August, 2026, 10:05 pm
Last modified: 21 August, 2026, 10:40 pm

Related News

  • প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য ও দুই কর্মকর্তার নামে ফেসবুকে ভুয়া আইডি, গ্রেপ্তার ১
  • ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন, থাকছে বিশেষ ও সংক্ষিপ্ত আদালত
  • জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায় বিএনপি, পেছনে ফিরতে চায় না: আইনমন্ত্রী
  • মেয়েদের সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • ১৮০ দিনে বিএনপি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, পুরোনো রাজনীতিতেই ফিরেছে: নাহিদ ইসলাম

‘ছয় মাস পরেও সরকার পতিত সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করছেন’: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

টিবিএস ইন্টারভিউ
21 August, 2026, 10:05 pm
Last modified: 21 August, 2026, 10:40 pm

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর নির্বাহী সম্পাদক শাখাওয়াত লিটন পরিচালিত 'জিরো সাম গেম'-এর এই অংশে, অর্থনীতিবিদ ও সিপিডি-র সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর সরকারের প্রথম ছয় মাসের কার্যক্রমের ওপর একটি সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন। দেবপ্রিয়র মতে, বাজেটটি পরিকল্পনার দিক থেকে সুচিন্তিত হলেও এর কাঠামো দুর্বল এবং সংস্কারের জন্য এতে কোনো বিশ্বাসযোগ্য রূপরেখা নেই। তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ব্যাংকিং খাত, জ্বালানি ব্যবস্থা এবং কর প্রশাসনের অর্থবহ সংস্কার করা না হলে, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া 'লুটেরাতান্ত্রিক কাঠামো' ভেঙে ফেলার বদলে সরকার নিজেই তার কাছে জিম্মি হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে।

ছয় মাস পার হলো; আমাদের অর্থনীতির আকাশের কতটুকু এখন নীল, আর কতটুকু এখনো কালো মেঘে ঢাকা?

অর্থনীতির আকাশটা তো একটু প্রলম্বিত। এটা এত ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে খুব দ্রুত পরিবর্তন করা জটিল। বিশেষ করে যদি অর্থনীতির ভিতরে বিভিন্ন ধরনের কাঠামোগত সমস্যা থাকে—যেমন আপনার সরকারের আয় বৃদ্ধির ব্যাপার; কর আহরণের ব্যাপার; সরকার যে ব্যয় করে, তার গুণমন ঠিক রাখার ব্যাপার; বাজেট ঘাটতি মেটাতে আপনাকে কতটুকু ঋণ নিতে হবে এবং সামাজিক সুরক্ষা ও সরকারি বেতন-ভাতার পুঞ্জীভূত চাপ সামলানোর বিষয়গুলো।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এক অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং সেই সঙ্গে ভর্তুকির বিশাল বোঝা, যার মধ্যে জ্বালানি খাত প্রধান। সংক্ষেপে বলতে গেলে, চ্যালেঞ্জের কোনো অভাব নেই।

বাজেট ঘোষণার সময় আপনি তিনটি অসুবিধার কথা জানিয়েছিলেন। সেগুলো কি এখনো বহাল আছে?

সেগুলো এখনো বহাল আছে এবং আমি পুনরায় তা উল্লেখ করছি।

প্রথমত, বাজেটের দর্শন ভালো ছিল—আমি একে একটি চিন্তাশীল বাজেট বলেছিলাম এবং সেখানে আমার কোনো আপত্তি নেই।

দ্বিতীয়ত, এর আর্থিক কাঠামো অত্যন্ত দুর্বল।

তৃতীয়ত, সেই দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার জন্য, যেখানে সম্পদের সংকট আছে, সেখানে দক্ষতা বাড়ানোর একমাত্র পথ হলো সংস্কার—কিন্তু বাজেটের ভেতরে সংস্কারের কোনো পথরেখা আমি খুঁজে পাইনি।

ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ার পর আমি এর সঙ্গে জ্বালানি পরিস্থিতির কথা যোগ করব: সেখানেও কোনো পথরেখা ছিল না এবং সুরক্ষার কোনো বিকল্প ব্যবস্থাও ছিল না; অর্থাৎ একটি উৎস ব্যর্থ হলে অন্য যে উৎসে আপনি ফিরবেন, সেই প্রস্তুতিটুকু রাখা হয়নি।

যা যা ঘটেছে তার প্রায় কোনোটিই অভাবিত ছিল না—হয়তো কেবল হরমুজ প্রণালিতে কী ঘটতে পারে এবং তা ভর্তুকির বোঝাকে কতদূর ঠেলে দেবে, সেই বিষয়টি বাদে। সেখানে ভাবনা ছিল ঠিকই, কিন্তু কোনো সুনির্দিষ্ট কাঠামো ছিল না।

মন্ত্রীরা এখন বলছেন যে তারা উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ও ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছেন। এটি কি সঠিক বলে মনে করেন?

তাহলে সেই দলিলাদি কোথায়? কেন তারা ছয় মাস পরে এসে এসব কথা বলছেন? যখন আপনি পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেন না, তখন ইতিহাসের ওপর দায় চাপাতে শুরু করেন।

অর্থনীতি ঠিক কোন অবস্থায় তারা হাতে পেয়েছিলেন, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে একটি 'শ্বেতপত্র' তৈরি করা তাদের জন্য জরুরি ছিল এবং তার ভিত্তিতেই তাদের কর্মসূচি ও সংস্কার পরিকল্পনা সাজানো উচিত ছিল। তারা সেটি করেননি—আমার সন্দেহ হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে হয়তো কোনো রাজনৈতিক দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাজ করেছে।

ফলে এখন কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা রেকর্ড নেই। কেউ যদি এখন এসে বলেন যে, 'আমি এমন উত্তরাধিকার পেয়েছি', আমার কাছে তার সপক্ষে কোনো প্রমাণ নেই। এটিই তাদের প্রথম পাপ।

আমাদের রাজনীতিতে কিংবা ক্ষমতার চর্চায় কি কোনো গুণগত পরিবর্তন এসেছে?

ছয় মাস পর আমার মনে হচ্ছে, পতিত সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করছে সরকার এবং এটি এখন স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।

এক নম্বর ব্যক্তি তো অনেক কথা বলছেন এবং সেগুলো প্রশংসনীয়ও বটে। কিন্তু গত ছয় মাসের কথা এবং বাস্তবের মধ্যে আমরা ইতিমধ্যে একটি ফারাক দেখতে পাচ্ছি—কাজগুলো সেই গতিতে হচ্ছে কি না এবং সম্ভাবনাগুলোকে যৌক্তিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর কথা বোঝাচ্ছেন?

তার সামাজিক আচরণ তাকে ব্যাপকভাবে প্রশংসনীয় করে তুলেছে—এমন প্রধানমন্ত্রী আমরা আগে দেখিনি এবং তার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা সরকারের জনপ্রিয়তাকে ছাড়িয়ে গেছে।

প্রশ্ন হলো, তিনি কীভাবে সেই জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগাবেন এবং যে দল বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে তাকে কাজ করতে হবে, তাদের তিনি কীভাবে বাধ্য করবেন বা অনুপ্রাণিত করবেন। এখন মন্ত্রিসভায় রদবদলের কথা শোনা যাচ্ছে।

কিন্তু যারা কাজ করতে পারছেন না তাদের বদলে যারা আসবেন, তারা যে আরও দক্ষ হবেন—তার গ্যারান্টি কোথায়? আমরা অতীতেও দেখেছি একজন খারাপ মন্ত্রীকে বাদ দিয়ে তার চেয়েও খারাপ একজনকে আনা হয়েছে। আর এই ব্যর্থতা কি ব্যক্তিগত ছিল, নাকি তারা যে কাঠামোর ভেতরে কাজ করছেন তার সীমাবদ্ধতা ছিল? যেমন—একটি অকার্যকর পুলিশ বাহিনী, বাধা সৃষ্টি করা আমলাতন্ত্র, কিংবা তৃণমূল পর্যায়ে এখনো চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতায় লিপ্ত দলীয় লোকজন।

একই ভাঙাচোরা কাঠামোর ভেতরে আপনি যদি দেবদূতদেরও বসিয়ে দেন, তারাও কাজ করতে পারবেন না। ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভার রদবদল একটি সাহসী পদক্ষেপ এবং আমি একে স্বাগত জানাই—সাবেক নেতা কখনো তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতেন না, কারণ সেটি তার কাছে পরাজয় বলে মনে হতো।

কোনো ধরনের স্বস্তি কি আদৌ এসেছে?

কিছুটা। অন্তত আমি আগের চেয়ে অনেক বেশি খোলামেলা কথা বলতে পারছি। কিন্তু দীর্ঘ ১৭ বছর পর আপনাদের মতো কৃতী সাংবাদিকরাও এখন 'সেলফ-সেন্সরশিপ' বা আত্মনিয়ন্ত্রণ করেন—সরকার আপনাদের কোনো কিছু বলতে নিষেধ করেনি; আপনারা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন যে এটা বলা হয়তো ঠিক হবে না। 

বাংলাদেশ কি এখন গুরুতর কোনো ভূ-রাজনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছে?

ট্রাম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি পতিত সরকারের আমলের চেয়ে অনেক বেশি জটিল। ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হয়নি, গাজা পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন নেই, চীনের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। বহুপাক্ষিকতাবাদ নিজেই এখন সংকটে—জাতিসংঘ, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এখন এক দেশ অন্য দেশকে বলছে যে গ্রিনল্যান্ড বা কানাডা এখন তাদের নিজস্ব অংশ।

বাংলাদেশের ভূ-রাজনীতি শেষ পর্যন্ত ভারসাম্যের রাজনীতি: আমাদের আমদানি মূলত ভারত ও চীন থেকে আসে, আমাদের রপ্তানি বাজার হলো ইউরোপ ও আমেরিকা, আমাদের রেমিট্যান্স আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আর আমাদের বৈদেশিক বিনিয়োগের সিংহভাগ আসে পশ্চিম থেকে।

আপনি একজনের সঙ্গে এতটাই ঘনিষ্ঠ হতে পারবেন না যাতে অন্যজন রুষ্ট হয়। ভয়ের ব্যাপার হলো, বিষয়টিকে যদি কেবল রাজনৈতিক 'পুশ-ইন' এবং 'পুশ-আউট' হিসেবে দেখা হয়, তবে অর্থনীতিও তার সঙ্গে ভেতরে-বাইরে আছাড় খাবে—আর বিনিয়োগকারীরা আমাদের স্থিতিশীলতা নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়বেন। সেখানে আমি আমাদের ভূ-রাজনীতি এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে একটি সমন্বয়হীনতা ও দ্বিধা দেখতে পাচ্ছি।

বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার করিডোর আবার আলোচনায় এসেছে। আমাদের কি এটি গ্রহণ করা উচিত?

ব্যবসায়ীরা এ ব্যাপারে অত্যন্ত উৎসাহী—অর্থনৈতিক সুবিধা এখানে অনেক বেশি এবং পণ্য পরিবহনের সময় কমে আসবে। কিন্তু ভূ-রাজনৈতিক চাপও এখানে বাস্তব এবং প্রতিদ্বন্দ্বী কিছু প্রস্তাবও আছে, যার মধ্যে একটি আমেরিকানরা সামনে ঠেলে দিয়েছে। ভূ-রাজনীতি সংশ্লিষ্ট কোনো অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তই পুরোপুরি নিরাপদ নয়। সরকার বলছে বাংলাদেশের স্বার্থই সবার আগে; তাহলে প্রশ্ন করুন সেই স্বার্থ আসলে কোনটি—মিয়ানমারের মধ্য দিয়ে একটি রাস্তা, নাকি আমার রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন?

তারা সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে এই মানুষগুলো রোহিঙ্গা নয়, বরং বাঙালি। তাই দরকষাকষিটা এমন হতে হবে: এক বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিন, তারপর আমরা রাস্তা নিয়ে আলোচনা করব। রোহিঙ্গারা আমাদের একক বৃহত্তম সমস্যা—১০ লাখেরও বেশি মানুষ এখানে আছে এবং এখনো প্রতি মাসে ১০০ থেকে ২০০ জন আসছে। আমি আশা করি আমার সরকারের সেই প্রজ্ঞা ও সাহস থাকবে যাতে তারা এমন দরকষাকষি করতে পারে।

আপনি যে সম্ভাবনাগুলোর কথা বলছেন, সেগুলো কাজে লাগানোর মতো সক্ষমতা কি আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর আছে?

এটিই হলো মূল কথা। ২০২৪ সালের নোবেল জয়ী একেমোগলু, রবিনসন এবং জনসন দেখিয়েছেন যে একটি সমাজের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোই নির্ধারণ করে দেয় যে জাতিটি ধনী হবে নাকি গরিব থাকবে। পতিত সরকারের অধীনে প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল কেবল শোষণের হাতিয়ার; প্রবৃদ্ধি ঠিকই হয়েছে—জিডিপি বেড়েছে, বড় বড় অবকাঠামো তৈরি হয়েছে—কিন্তু প্রতিষ্ঠান গড়ার বিষয়টি অবহেলিত ছিল। প্রশ্ন হলো, আমাদের রাজনীতিবিদরা কি আদৌ বোঝেন যে প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ?

তারা যদি মনে করেন নীতি পরিবর্তন করা আর নিজেদের লোক বসিয়ে দেওয়াই যথেষ্ট এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার নিয়মকানুনকে গুরুত্ব না দেন, তবে তারা ব্যর্থ হবেন। এর সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ হলো ব্যাংকিং খাত, জ্বালানি, কর প্রশাসন এবং সরকারি ব্যয়ের গুণগত মান। ছয় মাসে আমি অনেক কথা শুনেছি; কিন্তু কাজ দেখিনি। সেখানে সিগন্যাল বা সংকেত আছে, কিন্তু কোনো বাস্তবায়ন নেই।

সরকার কি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সেই লুটতন্ত্রের কলকবজা ভাঙতে শুরু করেছে?

আমাকে একজন অর্থনীতিবিদ হিসেবে উত্তর দিতে দিন। আপনারা সময়মতো সংস্কার করেননি; এই ছয় মাসে জ্বালানি বা ব্যাংকিং খাতে কোনো পথরেখা তৈরি করেননি। তাই এখন যখন আপনার কাছে টাকা নেই, ব্যাংকে তারল্য নেই এবং জ্বালানি আমদানির প্রয়োজন দেখা দিয়েছে, তখন আপনারা কার কাছে ফিরে গেলেন? এমন সব মানুষের কাছে যাদের নাম খুব একটা সুবিধাজনক নয় এবং এখন রাজনৈতিকভাবে সেই দুর্নামের ভাগীদার আপনারাও হবেন।

যদি আপনারা দক্ষ সংস্কারের পদক্ষেপ না নেন, তবে লুটতরাজদের কাছে আত্মসমর্পণ অনিবার্য হয়ে পড়বে। কারণ আপনার কারখানা, আপনার আমদানি, আপনার ব্যাংকের টাকা এবং নতুন বিনিয়োগের জন্য আপনাকে বারবার সেই সব মানুষের কাছেই যেতে হবে যারা টাকা মজুদ করে এবং বিদেশে পাচার করে এগিয়ে গেছে।

ছয় মাস পার হলো, খেলাপি ঋণের বিপরীতে সস্তায় বন্ধক রাখা কয়টি সম্পত্তি আপনারা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাজেয়াপ্ত ও বিক্রি করে টাকা উদ্ধার করেছেন? কেন করেননি—যখন আইন করার ক্ষমতাও আপনাদেরই ছিল?

তাহলে সরকারকে সবার আগে কোন দিকে নজর দিতে হবে?

মানবদেহের কথা ভাবুন। হৃৎপিণ্ড হলো আর্থিক ব্যবস্থাপনা—সরকারের আয় ও ব্যয়। দুই ফুসফুস হলো জ্বালানি ও ব্যাংকিং; আর যদি ফুসফুস শ্বাস নিতে না পারে, তবে হৃৎপিণ্ডও কাজ করবে না। অন্যদিকে কিডনি হলো কর ব্যবস্থা। জ্বালানি ও ব্যাংকিং খাত ঠিক করুন, তা না হলে ফ্যামিলি কার্ড আপনাকে বাঁচাতে পারবে না।

প্রতি বছর ২ লাখ থেকে আড়াই লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে এবং তাদের কর্মসংস্থান প্রয়োজন। সরকারের প্রকৃত সাফল্য হবে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির ধারা পুনরুদ্ধার করা—যার জন্য প্রয়োজন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সংস্কার।

এ বছরের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবসম্মত করা হয়েছে। আপনি সব করতে পারবেন না; সেটি সততার সঙ্গে স্বীকার করুন। আপনারা একটি অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আসা বৈধ ও নির্বাচিত সরকার, জনগণের কাছে সত্য বলার সাহস আপনাদের থাকতে হবে। জনতোষণ বা পপুলিজমের সময় আসবে—নির্বাচনের এখনো তিন বছর বাকি।

 


ইংরেজি ভাষায় এই আর্টিকেলটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

Related Topics

টপ নিউজ

শাখাওয়াত লিটন / তারেক রহমান / বিএনপি / দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য / সিপিডি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • অলঙ্করণ: টিবিএস
    কোথায় কত ঘুষ: ‘ঘুষসাইট’ খুলে সরকারি খাতের দুর্নীতির চিত্র ফুটিয়ে তুলছেন দুই তরুণ
  • ইনফোগ্রাফিক: টিবিএস
    করদাতাদের আয়, ব্যয় ও সম্পদ ট্র্যাকিংয়ে ডেটাভিত্তিক ব্যবস্থার পরিকল্পনা এনবিআরের
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    মানি এক্সচেঞ্জে ডলার বিক্রির নতুন দর ১২৬.৫০ টাকা
  • গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সইয়ের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। ফাইল ছবি: রয়টার্স
    ইরানকেও মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের, দাবি প্রতিবেদনের
  • ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। ছবি: পিটিআই
    ফ্রান্সে মোদি-ট্রাম্প বৈঠকের আগে ভারতের একটাই শর্ত ছিল, ‘সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে পারবেন না’: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
  • ফেনীর নুসরাত হত্যা: হাইকোর্টে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ জন খালাস
    ফেনীর নুসরাত হত্যা: হাইকোর্টে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ জন খালাস

Related News

  • প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য ও দুই কর্মকর্তার নামে ফেসবুকে ভুয়া আইডি, গ্রেপ্তার ১
  • ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন, থাকছে বিশেষ ও সংক্ষিপ্ত আদালত
  • জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায় বিএনপি, পেছনে ফিরতে চায় না: আইনমন্ত্রী
  • মেয়েদের সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • ১৮০ দিনে বিএনপি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, পুরোনো রাজনীতিতেই ফিরেছে: নাহিদ ইসলাম

Most Read

1
অলঙ্করণ: টিবিএস
ফিচার

কোথায় কত ঘুষ: ‘ঘুষসাইট’ খুলে সরকারি খাতের দুর্নীতির চিত্র ফুটিয়ে তুলছেন দুই তরুণ

2
ইনফোগ্রাফিক: টিবিএস
অর্থনীতি

করদাতাদের আয়, ব্যয় ও সম্পদ ট্র্যাকিংয়ে ডেটাভিত্তিক ব্যবস্থার পরিকল্পনা এনবিআরের

3
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

মানি এক্সচেঞ্জে ডলার বিক্রির নতুন দর ১২৬.৫০ টাকা

4
গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সইয়ের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। ফাইল ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরানকেও মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের, দাবি প্রতিবেদনের

5
ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। ছবি: পিটিআই
আন্তর্জাতিক

ফ্রান্সে মোদি-ট্রাম্প বৈঠকের আগে ভারতের একটাই শর্ত ছিল, ‘সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে পারবেন না’: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

6
ফেনীর নুসরাত হত্যা: হাইকোর্টে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ জন খালাস
বাংলাদেশ

ফেনীর নুসরাত হত্যা: হাইকোর্টে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ জন খালাস

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net