ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগ নিয়ে রাত ৩টায় ইসিতে মামুনুল হক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে হাজির হয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক। এর আগে রাত ২টার দিকে তিনি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে অভিযোগ দিতে গেলে তাকে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
রিটার্নিং অফিসার তাকে বলেন, "পাশেই নির্বাচন কমিশনের অফিস। আপনি সেখানে অভিযোগ দিতে পারেন। এছাড়া ফলাফল ঘোষণার পর সংক্ষুব্ধ হলে আদালতে অভিযোগ দিতে পারেন। আদালত আমাদের যে নির্দেশনা দিবেন আমরা সেভাবেই কাজ করব। প্রয়োজনে পুনরায় ভোট গণনা হবে।"
অভিযোগের বিষয়ে মাওলানা মামুনুল হক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে (টিবিএস) বলেন, "আমার আসনে ৯ জন প্রার্থী। ব্যালটের এক পাশে ৫ জন এবং অপর পাশে ৪ জন প্রার্থীর নাম। আমার নাম বাম দিকে সবার নিচে। আমার নামের পাশের ঘর খালি থাকায় অনেক ভোটার ভুলক্রমে ওই ফাঁকা জায়গায় সিল দিয়েছেন। সেই ব্যালটগুলো বাতিল করা হয়েছে।"
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, "ঢাকা-৮ আসনেও একইভাবে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নাম ব্যালটে থাকায় সেখানেও কিছু সিল ফাঁকা জায়গায় পড়েছিল। কিন্তু সেসব ভোট মির্জা আব্বাসের নামে গণনা করা হয়েছে।"
মাওলানা মামুনুল হক জানান, তার আসনের ১৩৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৫০টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে তাঁর ১২০০ ভোট বাতিল হয়েছে। তিনি ধারণা করছেন, সব কেন্দ্র মিলিয়ে এমন বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা প্রায় তিন হাজারে পৌঁছাবে।
তিনি বলেন, "ঢাকা-১৩ আসনে আমার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ ২২০০ ভোটের ব্যবধানে আমার থেকে এগিয়ে আছেন বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু আমার বাতিল করা ৩০০০ ভোট যদি বৈধ হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে এই আসনে আমিই জয়ী হই।"
