অবৈধ নিয়োগ: গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই উপাচার্যসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই উপাচার্যসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চারটি পৃথক মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক মো. আকতার হোসেন। তিনি বলেন, অবৈধ নিয়োগ, বিধিবহির্ভূত পদোন্নতি, নিয়োগসংক্রান্ত নথি গোপন বা ধ্বংস এবং সরকারি ৩ কোটি ৫২ লাখ ৬৩ হাজার ৭৮২ টাকা ক্ষতির অভিযোগে এসব মামলা করা হবে।
যাদের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক খোন্দকার নাসিরউদ্দিন, অধ্যাপক ড. খাইরুল আলম খান, সাবেক রেজিস্ট্রার ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ, মো. আবদুস সালাম ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোরাদ হোসেন এবং তিনজন সহকারী অধ্যাপক আক্কাস আলী, তসলিম আহমেদ, নাবিদ আজিজ।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, সিএসই ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে বিধিমালা লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে সংশ্লিষ্টদের নিয়মবহির্ভূতভাবে সহকারী অধ্যাপক বা উপ-রেজিস্ট্রার পদে উন্নীত করার অভিযোগ রয়েছে। এসব নিয়োগ ও পদোন্নতির গুরুত্বপূর্ণ নথি গোপন বা ধ্বংসের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি দল অভিযোগগুলো অনুসন্ধান করে। অনুসন্ধান শেষে কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হলে চারটি পৃথক মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়।
এছাড়াও ১ কোটি ৩০ লাখ ৭৩ হাজার ৬৯৩ টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ পাওয়ায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অবসরপ্রাপ্ত উচ্চমান সহকারী সেলিনা আক্তার ও আব্দুল মালেক মিয়ার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় কমিশন কর্তৃক একটি মামলা রুজুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
