ধ্বংসস্তূপ থেকেই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে রাড্ডা, চালিয়ে যাচ্ছে কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা, চলছে টিকাদান
বাংলাদেশে সামাজিক নিরাপত্তার সুযোগ সীমিত। ফলে সাভারের হেমায়েতপুরের ইটভাঙা শ্রমিক ও দুই সন্তানের মা মোমেনা খাতুনের মতো মানুষকে চিকিৎসার জন্য এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নির্ভর করতে হয়, যারা বিনামূল্যে কিংবা সাধ্যের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা দেয়।
গর্ভকালীন সময়ে মোমেনা শরণাপন্ন হয়েছিলেন মিরপুর-১-এর শাহ আলী এলাকায় অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপিপি সেন্টারের। সেখানে তিনি নামমাত্র খরচে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। পরে একই কেন্দ্র থেকে তার দুই সন্তানই নিয়ম অনুযায়ী টিকাও পেয়েছে।
শাহ আলী এলাকার রাস্তাগুলো সরু। রাস্তার দুই পাশে হকার, অটোরিকশা ও পথচারীদের ভিড়। দোকান ও বাজার রাস্তা আর ফুটপাত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্রেতারাও যেখানে একটু জায়গা পান, সেখানেই পসরা সাজিয়ে বসেন। মানুষ, যানবাহন ও ফুটপাতের দোকানগুলোর মধ্যে প্রতিটি ইঞ্চি জায়গার দখল নিয়ে প্রতিনিয়ত যে লড়াই চলে; তার ভেতর দিয়েই এই এলাকায় প্রতিনিয়ত চলাচল করতে হয়।
এই কোলাহলের মধ্যেই একটি খাড়া গলি ধরে এগোলে পাওয়া যায় রাড্ডা এমসিএইচ। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে এই কেন্দ্র থেকে মোমেনার মতো নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
কিন্তু গত ২৫ সেপ্টেম্বর বদলে যায় সবকিছু। মধ্যরাতের পর একদল লোক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে হামলা চালায়। নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে তারা মূল্যবান সামগ্রী ও চিকিৎসা সরঞ্জাম লুট করে। পরে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পুরো স্থাপনাটি।
তবে এই স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রটি কিছুতেই দমে যেতে রাজি হয়নি।
সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠান এমন এক সময়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না, যখন দেশ হামের টিকার তীব্র সংকটের মুখে পড়েছে এবং ইতোমধ্যেই ১,১০০-এরও বেশি শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে।
হামলার ঘটনার মাত্র এক দিন পরই ওই ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়েই প্রতিষ্ঠানটি তাদের টিকাদান কর্মসূচি পুনরায় শুরু করেছে।
অবহেলিত মানুষের সেবায় দীর্ঘ পথচলা
১৯৭৪ সালে আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা রাড্ডা বার্নেন (তৎকালীন সুইডিশ সেভ দ্য চিলড্রেন) মিরপুরের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের জন্য মাতৃ ও শিশুসেবা দিতে কেন্দ্রটি চালু করে। শুরুর দুই দশকে কেন্দ্রটির পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা ও প্রায় পুরো অর্থায়নের দায়িত্বে ছিল রাড্ডা বার্নেন।
পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রটির সেবা অব্যাহত রাখতে ১৯৯৪ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে এর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার পুরো দায়িত্ব স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করে রাড্ডা বার্নেন। প্রতিষ্ঠানটির নাম দেওয়া হয় রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ট্রাস্ট।
বছরের পর বছর সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে কমিউনিটির স্বাস্থ্য ও কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার। শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, প্রশিক্ষণ ও গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রজননস্বাস্থ্য ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি সংস্থা, দেশি-বিদেশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে রাড্ডা।
মাতৃ ও শিশুসেবার অংশ হিসেবে রাড্ডা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), মাতৃস্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা।
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার বলেন, 'সাভার, মানিকগঞ্জ, হেমায়েতপুর, আমিনবাজারসহ অনেক দূরের এলাকা থেকেও মানুষ আমাদের সেবা নিতে আসে।'
বছরের পর বছর সেবা দিতে দিতে মানুষের আস্থাও অর্জন করেছে রাড্ডা।
নাসরিন বলেন, 'কমিউনিটির মানুষের সঙ্গে আমাদের আস্থা ও ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তারা মনে করেন, রাড্ডায় এলে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যাবে। কারণ আমাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—আমাদের সেবা সবসময়ই চালু থাকে।'
বর্তমানে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের চারটি স্থায়ী ক্লিনিক রয়েছে। এর পাশাপাশি নয়টির বেশি স্যাটেলাইট কেন্দ্রেও সেবা দেওয়া হয়। স্থায়ী চারটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তিনটিই মিরপুরে—মিরপুর-১, মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১২ এলাকায়। অন্যটি উত্তরা এলাকায়।
নাসরিন বলেন, 'আমরা শুধু আমাদের মূল কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমেই কাজ করি না। আমাদের আরও অনেক ছোট কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এসব ক্লিনিকের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে সেবা দেওয়া হয়। আমাদের মাঠকর্মী ও কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে উঠান বৈঠক করেন। সেখানে স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি ও এ ধরনের বিভিন্ন বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়।'
সাধ্যের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা, কমিউনিটির হাত ধরেই
পরিকল্পিত এবং সেটি মানুষের সাধ্যের মধ্যে রাখাই রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের সেবার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সেবার জন্য নেওয়া হয় খুবই সামান্য অর্থ।
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের কমিউনিটি হেলথ উইংয়ের পরিচালক ইকবাল জহির মজিদ বলেন, 'অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের কাছ থেকে আমরা সেবার জন্য সামান্য অর্থ নিই। যেমন, ওপরের বা নিচের পেটের আলট্রাসনোগ্রাফি—যেটিই হোক, এর জন্য মাত্র ৬০০ টাকা নেওয়া হয়। এ ছাড়া বাউনিয়া বাঁধ, ভাষানটেক ও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন এলাকায় আমাদের কয়েকটি স্যাটেলাইট ক্লিনিক রয়েছে। শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ী ও জুরাইনসহ আরও কয়েকটি ওয়ার্ডেও আমাদের স্যাটেলাইট কেন্দ্র রয়েছে।'
তিনি বলেন, 'এসব স্যাটেলাইট কেন্দ্রে অনেক সেবা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে আমরা যে সেবা দিই, তার প্রায় ৩০ শতাংশই উপকারভোগীদের বিনামূল্যে দেওয়া হয়।'
স্যাটেলাইট কেন্দ্রগুলো নিরাপদ রাখা, সচল রাখা এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে এগুলোর সম্পর্ক ধরে রাখার কাজেও স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসেছেন।
ইকবাল বলেন, 'কিছু জায়গায় আমরা সামান্য অর্থ দিই, তবে অন্যভাবে স্থানীয় মানুষ আমাদের সহায়তা করেন। যেমন, ভাষানটেকের এই জায়গাটি আমাদের বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় মানুষই আমাদের সহযোগিতা করেন। এখানে আমাদের কোনো নিরাপত্তাকর্মী নেই। অথচ ভেতরে আমাদের সব ধরনের সরঞ্জাম থাকে—রক্তচাপ মাপার যন্ত্র, স্টেথোস্কোপ, ওষুধসহ আরও অনেক কিছু। তারপরও কখনো কিছু চুরি হয়নি।'
শিশুদের যত্ন ও শৈশবের প্রাথমিক বিকাশ রাড্ডার কাজের অন্যতম প্রধান দিক। রাড্ডা এমসিএইচ শিশুদের জন্য এমন সেবার ব্যবস্থা করেছে, যেখানে মায়েরা নিজেরাই সন্তানদের শেখানো, পরিচর্যা ও যত্নের সঙ্গে যুক্ত থাকেন।
এতে শিশুরা প্রয়োজনীয় যত্ন ও মনোযোগ পায়। একই সঙ্গে মায়েদেরও সন্তানের বেড়ে ওঠা ও বিকাশে সক্রিয় ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হয়।
নাসরিন বলেন, 'কোনো শিশু আমাদের কেন্দ্রে এলে আমরা প্রথমে তার ওজন ও উচ্চতা মাপি এবং তার পুষ্টির অবস্থা দেখি। শিশুটির পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শ প্রয়োজন হলে আমাদের প্রতিটি কেন্দ্রেই একজন করে পুষ্টিবিদ রয়েছেন।'
পুষ্টিবিদরা শিশু ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। কোনো শিশুর অপুষ্টি ধরা পড়লে এবং আরও চিকিৎসার প্রয়োজন হলে তাকে বড় হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মাতৃ, নবজাতক ও ছোট শিশুদের পুষ্টি নিয়েও রাড্ডার সেবা বেশ আলাদা।
নাসরিন বলেন, 'বিষয়টির পটভূমি বলতে গেলে, আমরা আগে এফএইচআই ৩৬০-এর সঙ্গে মাতৃ, নবজাতক ও ছোট শিশুর পুষ্টি নিয়ে একটি কর্মসূচিতে কাজ করেছি। ওই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা পুষ্টিকে একটি আলাদা স্বাস্থ্যসেবা হিসেবে যুক্ত করার ব্যবস্থা করি। অর্থাৎ, পুষ্টিকে আলাদা বা গৌণ কোনো বিষয় হিসেবে না দেখে নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যসেবা হিসেবে পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।'
তিনি বলেন, 'অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় একজন নারীর পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শ প্রয়োজন। একইভাবে, শিশুর বয়স ছয় মাস হলে যখন মায়ের দুধের পাশাপাশি অন্য খাবার দেওয়া শুরু হয়, তখনও তার সঠিক পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শ প্রয়োজন।'
রাড্ডা এমসিএইচ তাদের পুষ্টি কেন্দ্র বা পুষ্টি ইউনিটের মাধ্যমে এসব সেবা দিয়ে থাকে।
নাসরিন আরও বলেন, 'এই সেবা শুধু শিশুদের জন্য নয়। আমরা মা এবং বিভিন্ন বয়সী মানুষের জন্যও পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শ ও সংশ্লিষ্ট সেবা দিয়ে থাকি।'
ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই টিকাদান
২৫ সেপ্টেম্বরের হামলার পর রাড্ডা কীভাবে কাজ চালিয়ে গেল? কারণ, সেদিন প্রায় সব যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসা সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
নাসরিন আখতার বলেন, 'ওই সময় আমাদের হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় বাদ পড়া শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু করার কথা ছিল। কমিউনিটির মানুষের প্রতি, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত এবং স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ কম এমন মানুষের প্রতি আমাদের একটি বড় দায়িত্ব রয়েছে বলে মনে করেছি।'
তিনি বলেন, 'এই মানুষগুলোর প্রতি আমাদের দায়িত্বের কথা ভেবে আমরা ঠিক করি, উপযুক্ত কোনো ব্যবস্থা না থাকলেও টিকাদান কর্মসূচি শুরু করব। খোলা আকাশের নিচে অস্থায়ী জায়গা তৈরি করতে তাঁবু ও ত্রিপল টাঙানো হয়।'
পরদিন সকালেই অনেক অভিভাবক সন্তানদের নিয়ে টিকা দিতে সেখানে আসেন।
রাড্ডা এমসিএইচ সেন্টারের কাছে মুস্তাফা মার্কেটে একটি দোকান চালান মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন। দুই বছর বয়সী মেয়েকে টিকা দিতে তিনিও এসেছিলেন সেখানে।
তিনি বলেন, 'এখানে মেয়েকে টিকা দেওয়ার প্রধান কারণ হলো, জায়গাটি আমাদের বাড়ির কাছে। আমরা সবাই ছোটবেলায় এখান থেকেই টিকা নিয়েছি। এখন মেয়েকেও এখানে নিয়ে আসছি। আমাদের পুরো পরিবারই আশপাশে থাকে। তাই জায়গাটি শুধু আমাদের জন্য সুবিধাজনকই নয়, এর সঙ্গে আমাদের আবেগও জড়িয়ে আছে।'
তবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ভেঙে ফেলার ঘটনায় তাদের মনে গভীর শূন্যতা তৈরি হয়েছে। আফজালের কাছে এটি ছিল এমন একটি জায়গা, যেখানে তার পরিবারের একাধিক প্রজন্ম চিকিৎসাসেবা পেয়েছে।
তিনি বলেন, 'আমরা কেন্দ্রটি ভেঙে ফেলার প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু যেহেতু এটি ইতোমধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে, এখন আর কিছু করার নেই। এত কিছুর পরও টিকাদান কর্মসূচি চলছে—এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।'
তবে স্বাভাবিকভাবে সেবা দেওয়া তখনও সম্ভব হয়নি। ভবনটিতে বিদ্যুৎ ও অন্যান্য মৌলিক সুবিধা ছিল না। তাই শুধু জরুরি কিছু সেবা চালু রাখা সম্ভব হয়—সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এবং হাম-রুবেলার বাদ পড়া শিশুদের টিকা দেওয়া।
কিছুদিন কেন্দ্রের বাইরেই টিকাদান কার্যক্রম চালাতে হয়েছে। অস্থায়ীভাবে একটি ছাউনি তৈরি করে সেখানে কয়েকটি চেয়ার ও টেবিল রাখা হয়। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও চিকিৎসক ও নার্সরা সেবা দিয়ে যেতে থাকেন। তাদের সেবাগ্রহীতাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
এই প্রতিকূলতার মধ্যেও সেবা চালিয়ে যাচ্ছে রাড্ডা।
নাসরিন বলেন, 'আমরা আবার কেন্দ্রের ভেতরে কাজ শুরু করতে পেরেছি। তাই এখন পরিস্থিতি কিছুটা ভালো। ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ-সংযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে। আশা করছি, আজকের (শুক্রবার) মধ্যেই পানির সরবরাহও চালু হবে।'
