শনিবারের বাস ট্রিপ আটকে দেওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ডাকসু নেতাদের অবস্থান
পরিবহন খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আনার পরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ছুটির দিন (শনিবার) বাস ট্রিপ 'আটকে' দেওয়ার সুপারিশ করেছেন—এমন অভিযোগ তুলে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতারা।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনে তারা এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
উল্লেখ্য, একই সময়ে সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভা চলছিল।
ডাকসু নেতাদের দাবি, ডাকসুর প্রচেষ্টায় ইউজিসি থেকে পরিবহন খাতে সাড়ে চার কোটি টাকা বরাদ্দ আনার পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ শনিবারের বাস ট্রিপ আটকে দেওয়ার সুপারিশ করেছেন। সিন্ডিকেট সভা থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তারা এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
কর্মসূচি চলাকালে ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ বলেন, 'শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি শনিবার বাস ট্রিপ চালু করা। আমরা ইউজিসি থেকে পরিবহন খাতে সাড়ে চার কোটি টাকা বরাদ্দ আনার পরেও ট্রেজারার কর্তৃক শনিবারের ট্রিপ আটকে দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ গতকাল স্যারের কাছে আবার গিয়েছিলাম। স্যারের টেবিলে এটা কয়েকদিন যাবৎ পড়ে আছে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা বাজেট নিয়ে আসছি দুই বছরের জন্য। কিন্তু উনি বলছেন যে দুই বছর পরে এটার কী হবে? আমাদের ডাকসুর মেয়াদ এক বছর। আমরা দুই বছরের জন্য বাজেট নিয়ে আসছি, অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ করে নিয়ে আসছি।'
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, 'পরিবহন খাতে যে বরাদ্দ আমাদের তার চেয়ে বেশি ভর্তুকি দিতে হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সার্ভিস চালু হলে তা সাধারণত বন্ধ হয় না। ফলে দু'বছরের জন্য তহবিল আনা হলেও পরবর্তীতে সরকার যদি এই ফান্ড না দেয় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় বিপদে পড়বে। সে জায়গা থেকে বিষয়টি নিয়ে আরও চিন্তার প্রয়োজন রয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষের একক কোনো ক্ষমতা নেই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার, তাই তাদের অভিযোগটি ঠিক নয়।'
