প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বাংলাদেশকে এমন অবস্থানে নেওয়া হবে, যাতে অন্য দেশ অনুসরণ করে: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আগামী দিনে প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বাংলাদেশকে এমন অবস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে, যাতে অন্য দেশগুলো বাংলাদেশকে অনুসরণ করে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি সুস্পষ্ট ভিশনের আওতায় এনেছে, যেখানে প্রতিটি স্তরে ক্যারিয়ার ও দক্ষতাভিত্তিক (স্কিল-অরিয়েন্টেড) শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য দিকহীনভাবে ঘুরে বেড়াতে না হয়। তাদের জন্য দেশে কিংবা বিদেশে প্রস্তুত কর্মক্ষেত্র তৈরি থাকবে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় 'লার্নিং উইথ প্লে' বা খেলাধুলার মাধ্যমে শেখার পদ্ধতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো ৪ থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুদের গল্প বলা, গল্প শোনা ও আনন্দময় কার্যক্রমের মাধ্যমে শেখার পরিবেশ তৈরি করা, যাতে ওরা আগ্রহ নিয়ে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে আসে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের প্রায় দুই কোটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ, বিনামূল্যে ইউনিফর্ম, বছরে একবার জুতা ও ব্যাগ প্রদানসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করা এবং ঝরে পড়া রোধ করা সরকারের লক্ষ্য।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রাথমিক শিক্ষাকে আধুনিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দক্ষতাভিত্তিক করে গড়ে তোলার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
