দাম বাড়ানোর পর তেল সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি
দাম বাড়ানোর পর বাজারে অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করার বিষয়ে সরকার এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী টিবিএসকে বলেন, 'আমরা প্রায়শই নির্ধারিত পরিমানের চেয়ে অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করি। গতকাল ১০ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি ডিজেল ও অকটেন বাজারে সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু ফিলিং স্টেশনের সামনের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হলে মানুষের মধ্যে প্যানিক বায়িং দূর করতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমাদের যথেষ্ট পরিমাণ তেল আছে এবং তা ধারণক্ষমতার চেয়েও বেশি। তাই মানুষকে সচেতন হতে হবে এবং প্যানিক বায়িং বন্ধ করতে হবে।'
উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তেলের বিক্রয়মূল্য বাড়িয়েছে সরকার।
গতকাল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম বাড়িয়ে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৫ টাকা ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪০ টাকা। এছাড়া প্রতি লিটার পেট্রোলের নতুন দাম হয়েছে ১৩৫ টাকা ও প্রতি লিটার কেরোসিনের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩০ টাকা।
