জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্য হত্যা: আরেক পলাতক আসামি ও সহযোগী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানের সময় দুর্বৃত্তদের হামলায় র্যাব সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলার এক পলাতক আসামি ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৭।
মঙ্গলবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফফর হোসেন জানান, ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি নগরীর খুলশী ও বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সশস্ত্র অপরাধীদের ধরতে অভিযানে গেলে র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে চারজন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি তিনজন এখনো সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনার পর ২২ জানুয়ারি সীতাকুণ্ড থানায় র্যাব-৭ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ ১৫০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। দণ্ডবিধির হত্যা, হত্যাচেষ্টা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও ভাঙচুরসহ বিভিন্ন ধারায় এই মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।
চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে ২৫ জানুয়ারি বিকেলে খুলশী থানার ইস্পাহানি মোড় এলাকা থেকে মামলার তালিকাভুক্ত পলাতক আসামি মো. মিজানকে (৫৩) গ্রেপ্তার করে র্যাব। তার বাড়ি চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নড়ুমপুর গ্রামে।
এরপর ২৬ জানুয়ারি ভোরে বায়েজিদ বোস্তামী থানার বগুড়া নিবাস এলাকায় অপর এক অভিযানে মো. মামুনকে (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে পলাতক আসামির সন্দেহভাজন সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মামুনের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার কালাভানিয়া গ্রামে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি এই মামলার তিন আসামিকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন কক্সবাজার থেকে আলী রাজ নামের আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
