এবারের নির্বাচন হবে লাইনচ্যুত রেলকে লাইনে এনে চালু করার মতো: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, এবারের নির্বাচনটা হবে লাইনচ্যুত রেলকে লাইনে এনে চালু করা।
বুধবার আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে ৮১ টি সংস্থার 'এলায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন এন্ড ডেমোক্রেসি: এএফইডি'র একটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
দেশের নির্বাচনি ব্যবস্থা ও সংস্কার কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, '২০২৬ সালের নির্বাচনকে আমি যদি একটু রূপকভাবে বলি— এটা অনেকটা লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার লাইনে ফিরিয়ে এনে চালু করার মতো। একে ন্যূনতম রিপেয়ার করে, কিছু যন্ত্রাংশ বদলে অন্তত গতি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যদি আমরা এটা করতে পারি, তাহলে এটাকেই আমরা প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে ধরতে পারি।'
এরপর পরবর্তী দিকনির্দেশনায় আরও উন্নতির দিকে এগোতে হবে হলে জানান সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, 'পর্যবেক্ষকরা ইসির তৃতীয় নয়ন। চাই, তাদের পর্যবেক্ষণ মানসম্মত হোক। মৌলিক বিষয়াদির যেন ব্যত্যয় না হয়। নীতিমালার মধ্যে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।'
পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, 'আপনারা বস্তুনিষ্ঠভাবে আপনাদের দায়িত্ব সম্পাদন করবেন এবং ভবিষ্যতে আমাদের এই জায়গাটা আরও বাড়াতে হবে। আপনারা একটি সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমিও কি ভুল করছি আমারও কি কি সীমাবদ্ধতা আছে সেগুলো কিন্তু আপনি আমাকে বলে দিচ্ছেন। সুতরাং আমরা চাই যে এবারের সিটিজেন অবজারভেশনটা মানসম্মতভাবে হোক।'
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ডেমোক্রেসি ওয়াচ-এর চেয়ারপার্সন তালেয়া রহমান, খান ফাউন্ডেশন এর কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকারসহ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
