শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ, ব্যবসার দ্রুত অনুমোদনের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর
হাইলাইটস
- শিল্প কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহে নিবেদিত থাকবে দেশের তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ);
- সাময়িকভাবে বিকল এফএসআরইউ সংস্কার শেষে ১০ আগস্টের মধ্যে পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা;
- শিল্পাঞ্চলে সরাসরি গ্যাস সরবরাহে আইএসও গ্যাস কনটেইনার আমদানির পরিকল্পনা;
- সহজে ব্যবসা পরিচালনার স্বার্থে মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে সকল ব্যবসায়িক লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রদানের প্রতিশ্রুতি;
- চট্টগ্রাম বন্দর ও ঢাকা বিমানবন্দরে ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন কাস্টমস সেবা চালুর সিদ্ধান্ত;
- সৌর শক্তি খাতে বিনিয়োগ এবং লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনে অগ্রাধিকারমূলক পলিসি সহায়তা;
- পাঁচটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য ই-ভিসা ও ভিসা ফি মওকুফের উদ্যোগ; এবং
- ১০টি প্রধান রপ্তানি খাতকে সহায়তার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা।
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনের অংশ হিসেবে দেশের তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে কেবলমাত্র শিল্প কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ করা হবে বলে ব্যবসায়ী নেতাদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
চলমান গ্যাস সংকট লাঘবে শিল্প কারখানাগুলোতে সরাসরি সরবরাহের জন্য 'আইএসও কনটেইনারে' গ্যাস আমদানির কথা ভাবছে সরকার। এছাড়া সহজে ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ নিশ্চিতে সকল প্রকার ব্যবসায়িক লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ১৪ দিনের মধ্যে প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করেন যে, বর্তমানে বিকল হওয়া ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি (এফএসআরইউ) আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে মেরামত সম্পন্ন হতে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে করণীয় নির্ধারণে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, সরকারের লক্ষ্য পূরণ করতে হলে আগামী চার বছরে দ্বিগুণ রপ্তানির প্রয়োজন হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে ব্যবসা সম্প্রসারণ, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের বিষদ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। ব্যবসায়ী নেতারা উল্লেখ করেন যে, জ্বালানি সংকট শিল্প উৎপাদন ব্যাহত করছে এবং নতুন বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করছে। তারা সরকারকে এ বিষয়ে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
ব্যবসায়ীদের পক্ষে এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান নাসিম মনজুর সরকারের চিহ্নিত ১০টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত রপ্তানি খাতের বিদ্যমান সংকট ও সমাধানের প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বৈঠকে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী উদ্যোক্তাদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয়, মহেশখালীতে প্রস্তাবিত দেশের তৃতীয় এফএসআরইউ—যা ইতোমধ্যেই মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে—সেটিকে পুরোপুরি শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের কাজে ব্যবহার করা হবে। এর আগে এপ্রিলে শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি এই বৈঠকে তুলে ধরে বিডা।
জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে প্রধানমন্ত্রী জানান, অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগকারীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জমি বরাদ্দ পাবেন এবং সৌরবিদ্যুতে বিনিয়োগে আগ্রহীদের সহজে ও স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ বিতরণে সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্ক ব্যবহারে হুইলিং চার্জ ও ক্রস সাবসিডি চার্জ কমানোর দাবি করেছেন ব্যবসায়ী নেতারা। জবাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলেছে, ওপেন এক্সেস ট্যারিফ নির্ধারণের বিষয়টি বিডা ও অংশীজনদের মতামত গ্রহণের পর বর্তমানে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এর বিবেচনাধীন রয়েছে।
ওপেন এক্সেস ট্যারিফ নীতি বাস্তবায়িত হলে বৃহৎ শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহকেরা বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের (আইপিপি) কাছ থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ ক্রয় করতে পারবেন।
এছাড়া, সৌরবিদ্যুৎ মজুদের জন্য ক্যাপিটাল মেশিনারি হিসেবে শূন্য শুল্কে ব্যাটারি আমদানি এবং লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনে নীতি সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের। যদিও চলতি বাজেটে সৌরবিদ্যুতের ক্ষেত্রে শুল্ক কমানো হয়েছে, তবে এখনও ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর বহাল রয়েছে।
সভায় চট্টগ্রাম বন্দর এবং ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস সেবা ২৪ ঘন্টা ও সপ্তাহে ৭ দিন চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে কাস্টমস, বন্দর এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে 'জরুরি সেবা' হিসেবে ঘোষণা করবে সরকার।
বৈঠক শেষে মন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মইনুল ইসলাম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানান, আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতেই ছিল জ্বালানি সংকট। তিনি বলেন, ''শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের জন্য তৃতীয় এফএসআরইউ ডেডিকেটেড করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া, আইএসও গ্যাস ট্যাংক আমদানি করে শিল্পে সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদন ও রপ্তানি স্বাভাবিক রাখার উপর জোর দিয়েছেন তিনি।"
মইনুল ইসলাম বলেন, ২০৩০ সালে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানির লক্ষ্য পূরণে কোন খাতকে গুরুত্ব দিতে হবে প্রধানমন্ত্রী তা শুনতে চেয়েছেন। তৈরি পোশাকের বাইরে নতুন ১০টি খাতের প্রত্যেকটিতে ৩ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য ধরা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ভিয়েতনামকে বেঞ্চমার্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। ভিয়েতনাম বর্তমানে কোন অবস্থানে রয়েছে এবং আমাদের কি করণীয় সেটি আলোচনা হয়েছে। বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা, কাস্টমস, বন্দরে কাঁচামাল ও পণ্য খালাস দ্রুততর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিডাসহ সরকারের সব সংস্থার অনুমোদন দ্রুততর সময়ের মধ্যে করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল জানান, প্রতি দুই মাস পর পর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের ফলোআপ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকারের বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় ব্যবসায়ী সমাজ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তিনি জানান, এপ্রিল মাসের বৈঠকে গৃহীত ২০টি সিদ্ধান্তের মধ্যে ইতোমধ্যে ৮-৯টি বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় যোগদান করা ব্যবসায়ীরা জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে সরকার নির্ধারিত ১০টি রপ্তানিমুখী খাতে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সে বিষয়ে বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা জ্বালানি ও বিদ্যুতের অব্যাহত সংকটের কথা তুলে ধরে বলেছেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না, রপ্তানিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
নাম প্রকাশ না করে একজন ব্যবসায়ী বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ বাধাগুলো তুলে ধরেছেন ব্যবসায়ীরা। "কিছু সমস্যা তিনি ইনস্ট্যান্ট (তাৎক্ষণিক) সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন। উপস্থিত মন্ত্রী ও সংস্থা প্রধানরা নোট নিয়ে তা দ্রুতই সমাধান করবেন বলে জানিয়েছেন।"
বৈঠকে অংশগ্রহণকারী আরেক ব্যবসায়ী জানান, ওষুধ খাত নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। "বিশেষ করে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হওয়ার পর ওষুধ খাত পেটেন্ট সংক্রান্ত যেসব সুবিধার সুযোগ হারাবে, তা মোকাবিলায় এপিআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের কাজ দ্রুত শেষ করা এবং স্থানীয় উৎপাদনে নীতিগত সহায়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।"
ব্যবসায়ী নেতারা আন্তর্জাতিক সনদ প্রাপ্তি সহজ করতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য-সহ উন্নত দেশগুলোর সনদ প্রদানকারী সংস্থাকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়ারও প্রস্তাব করেন।
ওই ব্যবসায়ী বলেন, "আমরা ভিসামুক্ত প্রবেশের প্রস্তাব দিয়েছি। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগকারীদের জন্য। যেকোনো দেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশের ভিসা পাওয়া সহজ করতে আমরা একটি সুবিন্যস্ত অনলাইন ভিসা ব্যবস্থারও প্রস্তাব দিয়েছি।"
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন গণমাধ্যমকে বলেন, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যকে আরও গতিশীল ও বেগবান করতে দেশের বন্দরগুলোতে ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন সেবা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, যা খুব শিগগিরই কার্যকর হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটিয়ে বেসরকারি খাতের সুরক্ষায় সরকারকে সর্বাত্মক নীতিনির্ধারণী সহযোগিতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, বহু বছরের স্বৈরাচারী শাসনের পর সরকার রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মতো সংকটময় বিষয়গুলোসহ প্রধান সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা
বাংলাদেশের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা চালু করা এবং অগ্রাধিকার দেশগুলোর জন্য ভিসা ফি মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। বিডার পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, চীন, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগকারীদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা ফি মওকুফ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে সভায় আলোচনা হয়েছে।
১৪ দিনে ব্যবসায়িক অনুমোদন
ব্যবসার পরিবেশ সহজতর করতে ১৪ দিনের মধ্যে সব ধরণের লাইসেন্স ও অনুমোদন দেওয়া হবে বলে ব্যবসায়ীদের জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
এছাড়া বগুড়াকে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং বা হালকা প্রকৌশল শিল্পের হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সরকার। এজন্য ব্যবসায়ীদের বগুড়া পরিদর্শনে নেবে বেজা।
মুন্সিগঞ্জে এপিআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে ৫০ বিঘা জমিতে কোল জেনারেটেড স্টিম স্থাপনা তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক অঞ্চলে আইসিটিখাতের বিনিয়োগকারীদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে জমি ও জায়গা বরাদ্দ দেবে সরকার।
অটোমোবাইল যন্ত্রাংশের জন্য বিএসটিআইসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার টেস্টিং এন্ড সার্টিফিকেশন ব্যবস্থার প্রস্তাব করেন রানা অটোমোবাইলসের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান।
সভায় তারেক রহমান বলেন, "আমরা সবাই স্বীকার করছি যে, অনেক সমস্যা আছে। সরকার নিশ্চয়ই এতটুকু প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে যে, আমরা চেষ্টা করছি। সরকারের বয়স এখনো ছয় মাস হয়নি। এরমধ্যেই আমরা কয়েকবার বসেছি। প্রথমবার আপনাদের সঙ্গেই বসেছিলাম, পরে ফোরামের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। সেক্টরভিত্তিক সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি।"
বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু; বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
