ফেব্রুয়ারিতে এপর্যন্ত ১.৫৩ বিলিয়ন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, মোট ক্রয় ৫. ৪৭ বিলিয়ন
চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে দেড় বিলিয়নের উপর ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য দিয়েছেন।
তিনি জানান, ফেব্রুয়ারিতে ১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার কেনা হয়েছে। আর চলতি অর্থবছরে কেনা হয়েছে ৫ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। আর মঙ্গলবার ৮ ব্যাংক থেকে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে ৮৭ মিলিয়ন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মূলত ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার কারণে ডলার সরবরাহ বেশি রয়েছে। এজন্য ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা টিবিএসকে বলেন, ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রি করতে আগ্রহী। আর বাংলাদেশ ব্যাংক কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়াচ্ছে।
আরিফ হোসেন খান আরও জানান, বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামে ডলার কেনার মাধ্যমেই রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। এর নেপথ্যে কাজ করছে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের বড় প্রবৃদ্ধি।
২০২৬ সালের প্রথম মাসে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার, যা এ যাবৎকালে তৃতীয় সর্বোচ্চ। এটি ২০২৫ সালের একই মাসের চেয়ে ৪৫ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি। আগের বছর জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৮ কোটি ডলার।
এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে প্রবাসীরা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠান ৩২৯ কোটি ডলার। আর একই বছরের ডিসেম্বরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পায় দেশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, মূলত রপ্তানিকারকদের সমর্থন ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বজায় রাখার জন্য ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলারের দরপতন রোধে এ কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে প্রথমবারের মতো নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলার কেনার মাধ্যমে ডলারের দরের সমপরিমাণ টাকাও ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবেশ করেছে।
