Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
October 23, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, OCTOBER 23, 2026
সৌদি যুবরাজ এমবিএসের সামনে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা

আন্তর্জাতিক

মিহির শর্মা, ব্লুমবার্গ
18 October, 2026, 07:00 pm
Last modified: 18 October, 2026, 08:07 pm

Related News

  • ছুটি শেষে সৌদি ফেরার পরদিনই হামলায় নিহত হন শাহেদ, বিবাহবার্ষিকীতে হলো দাফন
  • সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি প্রায় সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি: শামা ওবায়েদ
  • ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের হামলা অব্যাহত থাকায় কর্মীদের সদর দপ্তর ছাড়ার নির্দেশ সৌদি আরামকোর
  • একের পর এক হামলা: মার্কিন কূটনীতিকদের সৌদি ছাড়ার নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র
  • সৌদির কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২, আহত ৮

সৌদি যুবরাজ এমবিএসের সামনে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা

নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যদি কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে ওঠে, তবে এমবিএসের সেই তৃতীয় প্রতিশ্রুতি বা ‘সামাজিক সংস্কারের’ কী হবে?
মিহির শর্মা, ব্লুমবার্গ
18 October, 2026, 07:00 pm
Last modified: 18 October, 2026, 08:07 pm
সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: রয়টার্স

সৌদি আরবের ক্ষমতার শীর্ষে মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) প্রায় এক দশক ধরে অবস্থান করছেন। কিন্তু আগামী কয়েকটি মাস তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও শাসনের জন্য সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা হতে চলেছে। 

২০১৫ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ওপর এক বিশাল সামরিক হামলার সমন্বয় করেছিলেন এই তরুণ যুবরাজ—যার মাধ্যমে তিনি বিশ্বকে বার্তা দিয়েছিলেন যে সৌদি আরব এখন নতুন নেতৃত্বের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। আর সে কারণেই রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরে শনিবারের সেই ভয়াবহ হুথি হামলা সামাল দেওয়া তাঁর জন্য মোটেও সহজ কোনো বিষয় নয়। ওই হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন; বহু ফ্লাইট বাতিল বা অন্য রুটে ঘুরিয়ে দিতে হয়েছে এবং আতঙ্কিত যাত্রীদের ছোটাছুটির ভিডিও পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিমানবন্দরে চালানো এই হামলা মূলত নিজের জনগণের কাছে এমবিএসের দেওয়া সেই বিশেষ অলিখিত অঙ্গীকারের ভিত্তিকেই নাড়িয়ে দিয়েছে। সৌদি আরব শাসন করা মোটেও কোনো সহজ কাজ নয়। তরুণদের এই দেশে পঁচিশ বছরের গড় বয়সের সাথে জড়িয়ে থাকা সমস্ত আকাক্সক্ষা ও অসন্তোষের দায় রাষ্ট্রকে বহন করতে হয়। যুবরাজ তাঁর জনগণের কাছে একচ্ছত্র স্থায়িত্ব ও আনুগত্য দাবি করেন, আর এর বিনিময়ে তিনি নিরাপত্তা, সমৃদ্ধি ও সামাজিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন। বিশ্বমঞ্চে তিনি সৌদি আরবকে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটনের জন্য এক অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও আকর্ষণীয় কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে আসছিলেন।

তবে ইরানের ওপর সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা সেই রূপকথা বা বর্ণনায় প্রথম বড় ধরণের ফাটল ধরিয়ে দেয়; কারণ প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিকটবর্তী লক্ষ্যবস্তুগুলোতে—বিশেষ করে সৌদির ওপর—পাল্টা হামলা চালাতে শুরু করে। রাজ্যের তেল অবকাঠামোর যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আর্থিক মূল্যে তার পরিমাণ হয়তো শত শত কোটি (দশক বিলিয়ন) ডলারে পৌঁছাবে।

আর এখন হুথিরা সরাসরি এমবিএসের ক্ষমতার একদম হৃদপিণ্ডে আঘাত হানার সামর্থ্য প্রদর্শন করল। রিয়াদ বিমানবন্দরে একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে এবং পূর্বাঞ্চলীয় ধাহরান শহরের দাম্মাম বিমানবন্দরেও আঘাত হেনেছে রকেট। চলতি সপ্তাহে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি 'সৌদি আরামকো'-এর সদর দফতরেও একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে; যদিও ভাগ্যের জোরে সেখানে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।

জিডিপির ৬.৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করে সৌদি আরব বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সমরাস্ত্র আমদানিকারক দেশ। কিন্তু দেশটি শাসন করার চেয়েও রক্ষণাবেক্ষণ ও রক্ষা করা আরও অনেক বেশি কঠিন। বিশাল ভৌগোলিক আয়তনের কারণে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। ইরান ও তার প্রক্সি বা সহযোগী গোষ্ঠীগুলো তিনটি পৃথক দিক থেকে তাদের ওপর হামলা চালাতে সক্ষম। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কারণে সৌদি আরবের সশস্ত্র বাহিনী বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত এবং তাদের কমান্ড স্ট্রাকচারও প্রথাগতভাবেই আলাদা রাখা হয়। তদুপরি, অন্যান্য উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের মতো সৌদিও একই সমরাস্ত্র সংকটে পড়েছে: হুথি বা ইরানিদের পাঠানো ড্রেন বা ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর উৎপাদন খরচ অত্যন্ত কম, কিন্তু সেগুলোকে আকাশে ধ্বংস করতে ব্যবহৃত পশ্চিমা প্রযুক্তির ইন্টারসেপ্টরগুলোর দাম অনেক বেশি এবং সেগুলোর সরবরাহও বেশ সীমিত।

ফলে দেশবাসীকে নিরাপত্তার নির্ভরযোগ্য গ্যারান্টি দেওয়া এমবিএসের জন্য ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে। সুরক্ষার খাতিরে স্কুলগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম অনলাইনে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের ঘরে বসে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করার অনুমতি দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও সৌদি নিয়ে চরম দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যেতে পারেন। চলতি মাসের শেষের দিকে যুবরাজের ফ্ল্যাগশিপ আয়োজন 'ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ' (মরুভূমির ড্যাভোস) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে; তবে অতীতের মতো এবার জাঁকজমকপূর্ণ পরাশক্তি ও অর্থলগ্নি কারীদের অতিথি তালিকা ধরে রাখা তাঁর জন্য সহজ হবে না। কারণ অর্থলগ্নিকারীরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা দেশে মূলধন বিনিয়োগ করতে চরম দ্বিধা বোধ করেন।

২০৩০ সালের মধ্যে বছরে ১,০০ কোটি (১০০ বিলিয়ন) ডলারের বৈচিত্র্যময় বৈদেশিক বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল দেশটি, এবং গত বছর সেখানে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) বৈদেশিক বিনিয়োগ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ কমে ৫.৯৫ বিলিয়ন (৫৯৫ কোটি) ডলারে নেমে এসেছে। ফলে সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নতির যে প্রতিশ্রুতি এমবিএস দিয়েছিলেন, তা পূরণে এখনও অনেক পথ বাকি।

নতুন পুঁজি বা অর্থপ্রবাহ টানা না গেলে তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌদি অর্থনীতিকে বহুমুখী করার এই বিশাল প্রয়াস মারাত্মক ব্যাহত হতে পারে। তরুণ সৌদিদের সন্তুষ্ট রাখতে এমবিএসের লাখ লাখ আধুনিক কর্মসংস্থান প্রয়োজন। কিন্তু রাষ্ট্র একা সবাইকে আর্থিক সুবিধা বা চাকরি দিতে পারবে না, কারণ রাজকোষের ওপর ইতিমধ্যেই চরম চাপ তৈরি হয়েছে। চলতি বছরে রাজস্ব ঘাটতি (ফিসক্যাল ডেফিসিট) বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ শতাংশে। তেল অবকাঠামো ধ্বংস ও প্রণালী হরমুজ অবরুদ্ধ হওয়ার হুমকিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৬ সালে সৌদি আরবের সামগ্রিক জিডিপি ৩.৬ শতাংশ সংকুচিত হবে—যার মূলে রয়েছে পেট্রোলিয়াম খাতে আনুমানিক ২১.৮ শতাংশের বিশাল পতন। অন্যদিকে অর্থনীতির সিংহভাগ ব্যাংক ঋণই বর্তমানে টেনে নিচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো। আগস্ট মাসে বেসরকারি খাতের তুলনায় এসব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল তিন গুণ বেশি!

নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যদি কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে ওঠে, তবে এমবিএসের সেই তৃতীয় প্রতিশ্রুতি বা 'সামাজিক সংস্কারের' কী হবে? তাঁর সমর্থনে বলতে হয়—পুরুষ অভিভাবকত্ব আইন শিথিল করা, নারীদের গাড়ি চালানো ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার মতো তাঁর সামাজিক সংস্কারগুলো আজ সৌদি সমাজে সাধারণ নিয়ম হিসেবে বেশ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। তবে সৌদির ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠী বাহ্যিক হুমকির মতোই ভেতরের ধর্মীয় চরমপন্থীদের বহুকাল ধরে ভয় পেয়ে এসেছে। এমবিএসের এই আধুনিক সংস্কার নীতি তাঁর আন্তর্জাতিক ভিজিটিং কার্ড হলেও, অভ্যন্তরীণ অসন্তুষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য এটি সংঘবদ্ধ হওয়ার এক মোক্ষম উসিলা হতে পারে।

সৌদি রাষ্ট্রব্যবস্থা অগণতান্ত্রিক হলেও শাসককে অবশ্যই শাসিত জনগণের পরোক্ষ সমর্থন বা সম্মতির ওপর নির্ভর করতে হয়। এমবিএসকে যেকোনো মূল্যে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও সম্মানিত জাতি গড়ার প্রতিশ্রুতির ওপর দেশবাসীর বিশ্বাস পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতেই হবে। এটি আশার কথা যে, তিনি প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক নতুন করে মেরামতের ইঙ্গিত দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি মন্তব্য করেছেন যে, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা "অবিভাজ্য" (ইনডিভিজিবল); আর চলতি সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক শীর্ষ কর্মকর্তা হুবহু একই বাক্যাংশ ব্যবহার করে সৌদির পাশে দাঁড়ানোর সংকেত দিয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বক্তব্যের সুরের আরেক অদ্ভুত পরিবর্তন সত্যিই অনুসন্ধিৎসা তৈরি করে। দুই সপ্তাহ আগে সৌদির আইনসভা 'শুরা কাউন্সিলে' দেওয়া বার্ষিক ভাষণে এমবিএস কিন্তু অন্যান্য বারের মতো ভবিষ্যৎ রূপকল্প দিয়ে বক্তব্য শুরু করেননি। মরুভূমির বুকে ঝলমলে নতুন মেগাসিটির কথা না বলে তিনি কথা বলেছেন অতীত ইতিহাস নিয়ে। তিনি তাঁর রাজবংশীয় উত্তরাধিকারের কথা উল্লেখ করে দাবি করেছেন যে, দীর্ঘ তিন শতাব্দীর শাসনে তাঁর পরিবার শাসনের একটি ধারাবাহিক আদর্শ বজায় রেখেছে—তিনি কেবল তাকেই সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সংকটে পড়ে বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর এই 'মিলেনিয়াল' যুবরাজ আজ তাঁর পূর্বসূরিদের মতোই চিরাচরিত ও প্রথাগত ঐতিহ্যের আশ্রয় নিচ্ছেন।


লেখক পরিচিতি: মিহির শর্মা একজন প্রখ্যাত আন্তর্জাতিক অর্থনীতিবিদ, কলামিস্ট এবং ব্লুমবার্গ ওপিনিয়নের নিয়মিত কলামিস্ট।

 

Related Topics

টপ নিউজ / মতামত

মোহাম্মদ বিন সালমান / সৌদি আরব / মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • বিটিআরসির লগো। ছবি: সংগৃহীত
    অবৈধ মোবাইল ফোনে বছরে ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি, পুনরায় চালু হচ্ছে এনইআইআর
  • সাম্প্রতিক দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত দোকানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী হাসান। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
    ‘১০ বছরের পরিশ্রম ধ্বংস হয়ে গেছে, তিন দিন ঘুমাইনি’: প্যারিসে লুটপাটের শিকার বাংলাদেশি ব্যবসায়ী
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। ছবি: সংগৃহীত
    বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ব্যবস্থা করবে জাপান: নিক্কেই এশিয়া
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    টঙ্গীতে ৭ বছর বয়সী শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গণধোলাইয়ের পর মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
  • আবু বকর সিদ্দিক ও ফেসবুকে তার করা মন্তব্য। ছবি: সংগৃহীত
    প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে স্নাইপার সংক্রান্ত মন্তব্যের ঘটনায় বাবা-ছেলে আটক
  • বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও আত্রাই নদীতে সাকার ফিশ প্রাকৃতিকভাবে বংশবিস্তার করে স্থায়ী অবস্থান তৈরি করেছে। ছবি: মেহেদি হাসান
    যে মাছ কেউ চায় না, সেটাই এখন দখল করে নিচ্ছে ঢাকার নদীগুলো; হুমকিতে দেশীয় মাছ

Related News

  • ছুটি শেষে সৌদি ফেরার পরদিনই হামলায় নিহত হন শাহেদ, বিবাহবার্ষিকীতে হলো দাফন
  • সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি প্রায় সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি: শামা ওবায়েদ
  • ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের হামলা অব্যাহত থাকায় কর্মীদের সদর দপ্তর ছাড়ার নির্দেশ সৌদি আরামকোর
  • একের পর এক হামলা: মার্কিন কূটনীতিকদের সৌদি ছাড়ার নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র
  • সৌদির কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২, আহত ৮

Most Read

1
বিটিআরসির লগো। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

অবৈধ মোবাইল ফোনে বছরে ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি, পুনরায় চালু হচ্ছে এনইআইআর

2
সাম্প্রতিক দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত দোকানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী হাসান। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
আন্তর্জাতিক

‘১০ বছরের পরিশ্রম ধ্বংস হয়ে গেছে, তিন দিন ঘুমাইনি’: প্যারিসে লুটপাটের শিকার বাংলাদেশি ব্যবসায়ী

3
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ব্যবস্থা করবে জাপান: নিক্কেই এশিয়া

4
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

টঙ্গীতে ৭ বছর বয়সী শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গণধোলাইয়ের পর মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ গ্রেপ্তার

5
আবু বকর সিদ্দিক ও ফেসবুকে তার করা মন্তব্য। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে স্নাইপার সংক্রান্ত মন্তব্যের ঘটনায় বাবা-ছেলে আটক

6
বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও আত্রাই নদীতে সাকার ফিশ প্রাকৃতিকভাবে বংশবিস্তার করে স্থায়ী অবস্থান তৈরি করেছে। ছবি: মেহেদি হাসান
ফিচার

যে মাছ কেউ চায় না, সেটাই এখন দখল করে নিচ্ছে ঢাকার নদীগুলো; হুমকিতে দেশীয় মাছ

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net