Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Wednesday
March 18, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
WEDNESDAY, MARCH 18, 2026
‘সময় নষ্ট’ থেকে যখন লাখ টাকার পেশা; ইস্পোর্টসের বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা

ফিচার

ইমরান হোসেন
20 September, 2025, 03:00 pm
Last modified: 20 September, 2025, 03:45 pm

Related News

  • এআই-নির্ভর গেম ডেভেলপমেন্টের যুগ: সামনে কী আসছে?
  • নিনজা: টুইচের সবচেয়ে বড় স্ট্রিমারের ক্যান্সার ধরা পড়ল
  • স্লিপ স্ট্রিম: ঘুমের দৃশ্য সম্প্রচার করে তারকারা যেভাবে আয় করছেন হাজার হাজার ডলার
  • গেমিং স্ট্রিমার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চান? 

‘সময় নষ্ট’ থেকে যখন লাখ টাকার পেশা; ইস্পোর্টসের বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা

ইস্পোর্টস জগতে বাংলাদেশ দেরিতে প্রবেশ করলেও এখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। চলতি বছর ১৪ জুলাই সরকার ইস্পোর্টসকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ক্রীড়া’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
ইমরান হোসেন
20 September, 2025, 03:00 pm
Last modified: 20 September, 2025, 03:45 pm
অলঙ্করণ: টিবিএস

বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাচ্ছলে সময় কাটাতেই রেভান মুঠোফোনে প্রথমবার পাবজি খেলা শুরু করেছিলেন। তখন কে জানত, সোফায় বসে কাটানো সেই মুহূর্তগুলোই একদিন তার পেশা হয়ে উঠবে! গেমিং জগতে যিনি 'ব্যাডরেভ' নামে পরিচিত, সেই রেভানের কাছে শুরুটা ছিল শুধুই বিনোদন।

স্মৃতিচারণা করে রেভান বলেন, 'বন্ধুদের সঙ্গে মজার ছলেই খেলা শুরু করেছিলাম। কিন্তু আমার প্রথম অফিশিয়াল টুর্নামেন্ট 'পাবজি মোবাইল ক্লাব ওপেন'-এ অংশ নিয়ে আমি অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছিলাম। প্রো-লিগের জন্যও নির্বাচিত হই। মূলত তখন থেকেই মানুষ আমাকে চিনতে শুরু করে।'

দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে ভক্তদের কাছ থেকে পাওয়া সেই স্বীকৃতি তাকে অনলাইনে ম্যাচ স্ট্রিম করতে উৎসাহিত করে। একসময় যে ছেলেটি বাড়িতে কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার জন্য বকুনি খেত, সেই ছেলেই এখন স্পনসর ও কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে আয় করছে। শখ থেকে গেমিং পরিণত হয়েছে পুরোদস্তুর পেশায়। আর রেভান হয়ে উঠেছেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ইস্পোর্টস খেলোয়াড়।

ইস্পোর্টস বা প্রতিযোগিতামূলক ভিডিও গেমিং এখন আর কোনো ছোটখাটো আয়োজন নয়, বরং বিলিয়ন ডলারের এক বৈশ্বিক শিল্পে পরিণত হয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্র্যান্ড ভিউ রিসার্চের তথ্যমতে, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক ইস্পোর্টস বাজারের আকার ছিল প্রায় ২১০ কোটি ডলার, যা ২০৩০ সালের মধ্যে ৭৫০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া, ২০২৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে এই খাতের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ২৩ শতাংশের বেশি হবে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। 

এই খেলায় খেলোয়াড়েরা বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশ নেন এবং অনলাইনে বা সরাসরি অ্যারেনায় বসে হাজার হাজার দর্শক সেই খেলা উপভোগ করেন।

রেভানের এই পথচলা একা নয়। তার মতো বাংলাদেশের অনেক তরুণই এখন গেমিংয়ের প্রতি নিজেদের ভালোবাসা আর আগ্রহকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন। যেটি একসময় 'সময় নষ্ট' বলে মনে করা হতো, সেটিই এখন এমন এক শিল্পে রূপ নিচ্ছে, যার সম্ভাবনা আগে খুব কম মানুষই দেখতে পেয়েছিল।

খেলা হিসেবে স্বীকৃতি

দক্ষিণ কোরিয়া, চীন বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলোতে ইস্পোর্টস জনপ্রিয়তা পেয়েছে অনেক আগেই। বাংলাদেশ এই জগতে দেরিতে প্রবেশ করলেও এখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এর পেছনে বড় কারণ হলো—দেশে ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা, তুলনামূলক কম দামে স্মার্টফোন এবং ইউটিউব-ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট দেখে বড় হওয়া এক নতুন প্রজন্ম।

এখন দেশেই নিয়মিত স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আয়োজিত হচ্ছে। অনেক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা করছে, পাশাপাশি ছোট পরিসরের আয়োজকেরাও কয়েক লাখ টাকা পুরস্কারের টুর্নামেন্ট আয়োজন করছেন। আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় এই পুরস্কারের অর্থ কম হলেও দেশের খেলোয়াড়েরা এখান থেকেই প্রতিযোগিতামূলক গেমিংয়ের প্রথম স্বাদ পাচ্ছেন।

এই পরিবর্তনের সাক্ষী জেনিটিক ইস্পোর্টসের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলিউর রহমান। তিনি বলেন, 'এখন দেশে নানা ধরনের টুর্নামেন্ট হয়। প্রচুর স্থানীয় চ্যাম্পিয়নশিপের পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাবগুলোও প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।'

'সম্প্রতি সরকার ইস্পোর্টসকে একটি খেলা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তাই আমি আশাবাদী যে এটি একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে,' বলেন তিনি। 

একই সঙ্গে বাড়ছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অংশ নেওয়ার সুযোগও। বাংলাদেশি খেলোয়াড়েরা পাবজি মোবাইলের আঞ্চলিক ইভেন্টে যোগ্যতা অর্জন করেছে, অংশ নিয়েছে ফ্রি ফায়ারের টুর্নামেন্টে এবং 'স্ট্রিট ফাইটার' ও 'ই-ফুটবল'-এর মতো গেমের বাছাই পর্বেও খেলছে।

নব্বইয়ের দশক থেকে আর্কেড গেমিংয়ের সঙ্গে যুক্ত 'স্ট্রিট ফাইটার' খেলোয়াড় এসআই অনিক জানান, ২০২৩ সালে 'স্ট্রিট ফাইটার ৬'-এর একটি আঞ্চলিক বাছাইপর্বে অংশ নেওয়ার পরই দৃশ্যপট বদলাতে শুরু করে। 

'খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের মতো গেমারদের জন্য একটি বিশাল মাইলফলক। এখন আমরা দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাচ্ছি। এসব টুর্নামেন্টে এখন সুনির্দিষ্ট পুরস্কারের অর্থ থাকে, যা খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করে, নতুনদেরও আগ্রহী করে তোলে,' বলেন তিনি।

একসময় যাদের 'গেম খেলে সময় নষ্ট করছে' বলে তিরস্কার করা হতো, তারাই এখন পাচ্ছেন তারকাখ্যাতি। সমাজে গেমারদের নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গিতেও আসছে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন। যে বাবা-মায়েরা একসময় সন্তানের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা নিয়ে বিরক্ত হতেন, তারাও এখন নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন, যখন দেখছেন তাদের সন্তানেরা টুর্নামেন্ট জিতে পুরস্কার আনছে কিংবা জায়গা করে নিচ্ছে সংবাদপত্রের শিরোনামে।

বিশ্বমঞ্চে আধিপত্য বিস্তারের পথে বাধা

যদিও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোতে বাংলাদেশি খেলোয়াড়েরা নিয়মিত অংশ নিলেও এই জগতে নবাগত হওয়ায় বড় ধরনের সাফল্য এখনো আসেনি। বিশ্বমঞ্চে আধিপত্য বিস্তারের পথে মূলত তিনটি প্রধান বাধার কথা বলছেন তারা: সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, অবকাঠামো এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা।

গেমিং নিয়ে সমাজে নেতিবাচক ধারণা বেশ শক্তিশালী। 'ব্যাডরেভ' মনে করেন, পুরোনো প্রজন্মের ভুল ধারণাগুলোই ঝেড়ে ফেলা সবচেয়ে কঠিন। 'অনেক বাবা-মা মনে করেন, গেমিং তাদের সন্তানদের পড়াশোনা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দেয়। কিন্তু অন্য যেকোনো খেলার মতোই দায়িত্বশীলভাবে খেললে গেমিং একটি ইতিবাচক শখ, এমনকি পেশাও হতে পারে,' বলেন তিনি। 

আরেকটি সাধারণ ভুল ধারণা হলো, ইস্পোর্টসকে জুয়ার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা। জনপ্রিয় 'ফ্রি ফায়ার' খেলোয়াড় কাফি কাশফিকে এমনকি বিমানবন্দরেও এ ধরনের বিব্রতকর প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন, 'ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা আমাদের ভ্রমণের কারণ জিজ্ঞেস করে বারবার জানতে চাইতেন, এটা জুয়া কি না!' 

অবকাঠামোগত দুর্বলতা আরেকটি গুরুতর সমস্যা। নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগের অভাব এবং 'হাই পিং' (সার্ভারে ডেটা পৌঁছানোর সময়) প্রতিযোগিতামূলক গেমিংয়ে বড় বাধা। এর সঙ্গে পেশাদার মানের কম্পিউটার বা গেমিং ফোনের চড়া দাম তো আছেই।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুপস্থিতি। কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ না থাকায় টুর্নামেন্টগুলোতে স্বচ্ছতার অভাব এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে। প্রতিভাবান খেলোয়াড়েরা অনেক সময় কোণঠাসা হয়ে পড়েন, পৃষ্ঠপোষকতার সুযোগও থাকে সীমিত। ব্যাডরেভ বলেন, 'সঠিক নিয়মকানুন ছাড়া এই ব্যবস্থার ওপর আস্থা তৈরি করা কঠিন।' 

ইস্পোর্টস খাতের আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো এর বিভক্তি। বাংলাদেশে পাবজি মোবাইল ও ফ্রি ফায়ারের মতো নির্দিষ্ট কিছু গেমের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী হওয়ায় অন্য গেমের খেলোয়াড়েরা প্রায়ই উপেক্ষিত বোধ করেন।

এই বিষয়ে আক্ষেপ করে 'স্ট্রিট ফাইটার' খেলোয়াড় এসআই অনিক বলেন, 'আমি চাই সব গেমকেই যেন সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। নতুন খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের জন্য পেশাদার কোচ আনা উচিত। পাশাপাশি ভালো খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পৃষ্ঠপোষকতা করা প্রয়োজন।' 

তবে আশার কথা হলো, চলতি বছর ১৪ জুলাই সরকার ইস্পোর্টসকে আনুষ্ঠানিকভাবে  'ক্রীড়া' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে । যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন-২০১৮ এর ২(২) ও ৬ ধারা অনুযায়ী ই-স্পোর্টসকে এই স্বীকৃতি দেয় এবং এর জন্য একটি খসড়া নীতিমালা তৈরির লক্ষ্যে কমিটি গঠন করেছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে এরই মধ্যে সেই খসড়া জমাও দেওয়া হয়েছে। 

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ আমিনুল আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'খসড়া নীতিমালায় ইস্পোর্টসকে ঘিরে সামাজিক নেতিবাচক ধারণাগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তার রূপরেখা রয়েছে। পাশাপাশি এটি যেন আসক্তিতে পরিণত না হয় বা কোনো ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে।'

তিনি জানান, পরিষদের অধীনে এখনই ইস্পোর্টস ফেডারেশন গঠনের পরিকল্পনা না থাকলেও ভবিষ্যতে এমনটা হলে অন্যান্য খেলার মতোই এটি বাজেট পাবে। প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং জাতীয় পর্যায়ের টুর্নামেন্ট আয়োজনের মতো সুযোগও আসবে।

খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, এটি পুরো চিত্রটাই পাল্টে দেবে। জেনিটিক ইস্পোর্টসের প্রতিষ্ঠাতা আলিউর রহমানের মতে, ইস্পোর্টস অন্যান্য অনেক খেলার চেয়ে এরই মধ্যে অনেকটা স্বাবলম্বী। স্ট্রিমাররা বিজ্ঞাপন ও ভক্তদের অনুদান থেকে আয় করেন, আর পেশাদার খেলোয়াড়েরা টুর্নামেন্টের পুরস্কার এবং ব্র্যান্ড স্পনসরশিপ থেকে অর্থ উপার্জন করেন। দর্শকেরাও ফেসবুকে 'স্টার' পাঠিয়ে বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অনুদান দিয়ে স্ট্রিমারদের সমর্থন করতে পারেন।

আলিউর রহমান বলেন, 'বাংলাদেশে ইস্পোর্টস বাজারের আকার নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য না থাকলেও, এই শিল্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এর ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল। জনপ্রিয় কয়েকজন গেমার ও স্ট্রিমার মাসে কয়েক লাখ টাকাও আয় করছেন।' 

আনুষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই খাতটি কেবল বৈধতাই পাবে না, বরং আরও বেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়

বাংলাদেশে ইস্পোর্টসের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে বর্তমানের এই অগ্রযাত্রা ধরে রাখার ওপর। একদিকে যেমন তরুণ খেলোয়াড়, স্ট্রিমার ও আয়োজকদের পরিসর বাড়ছে, অন্যদিকে অবকাঠামো, সমর্থন আর সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির মতো চ্যালেঞ্জগুলোও পিছু ছাড়ছে না।

'ব্যাডরেভ' মনে করেন, সরকারকে এক্ষেত্রে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, 'আমরা এমন সুসংগঠিত আইন ও নীতিমালা দেখতে চাই, যা খেলোয়াড়, আয়োজক এবং কনটেন্ট নির্মাতাদের সুরক্ষা দেবে ও পথ দেখাবে। রাষ্ট্রীয় সমর্থন পেলে পেশাদার পরিবেশ উন্নত হবে এবং সমাজ থেকে নেতিবাচক ধারণা দূর করতেও সাহায্য করবে।'

তার মতো আরও অনেকেই এখন প্রশিক্ষণকেন্দ্র, প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জন্য বৃত্তি, জাতীয় পর্যায়ের টুর্নামেন্ট এবং উন্নত ইন্টারনেট সুবিধার স্বপ্ন দেখেন। একই সঙ্গে তারা ব্র্যান্ড পৃষ্ঠপোষকতা বৃদ্ধিরও আশা করছেন। তাদের বিশ্বাস, এই সবকিছু একসঙ্গে ঘটলে বাংলাদেশ আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বিশ্বের শীর্ষ অঞ্চলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

এই আশাবাদ গেমিং কমিউনিটির আরও অনেকের মধ্যেই রয়েছে। কাফি বলেন, 'আমরা গেমিংয়ের সৃজনশীলতা এবং সম্ভাবনার দিকগুলো তুলে ধরে এ-সম্পর্কিত ভুল ধারণাগুলো দূর করার চেষ্টা করি। এর জন্য আমরা সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করি।'

এবং এর ফলও মিলছে। ইস্পোর্টস এরই মধ্যে তার মতো অনেক খেলোয়াড়ের জীবন বদলে দিয়েছে। একসময় যাদের বাবা-মায়েরা সন্দেহ করতেন, তারাই এখন গর্বের সঙ্গে দেখেন তাদের সন্তানেরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে।

তবে চূড়ান্ত সাফল্য পেতে আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে বলে মনে করেন খেলোয়াড়েরা। 'ব্যাডরেভ'–এর মতে, 'এই শিল্পকে সত্যিকার অর্থে এগিয়ে নিতে এবং উঠতি ইস্পোর্টস অ্যাথলেটদের সমর্থন দিতে আরও সুসংগঠিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সরকার যদি সঠিক নীতিমালা প্রণয়ন করে এবং সমাজ গেমিংকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা হিসেবে দেখতে শুরু করে, তবে বাংলাদেশ বিশ্বের সেরাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে এবং দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।'

Related Topics

টপ নিউজ

গেমিং স্ট্রিমার / গেমিং ইন্ডাস্ট্রি / বাংলাদেশি গেমার / ইস্পোর্টস / ব্যাডরেভ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    'এমনটা ঘটার কথা ছিল না; আমরা স্তম্ভিত': উপসাগরীয় মিত্রদের ওপর ইরানের পাল্টা হামলায় বিস্মিত ট্রাম্প
  • ফাইল ছবি: ইউএস নেভি
    মার্কিন রণতরীতে ৩০ ঘণ্টা ধরে জ্বলেছে আগুন, অসুস্থ কয়েক সেনা, মেঝেতে ঘুমাচ্ছেন ৬০০ নাবিক
  • ছবি: সংগৃহীত
    কয়েক মিনিটের ব্যবধানে রক্ষা, যেভাবে নিশ্চিত মৃত্যু থেকে 'বেঁচে ফিরলেন' মোজতবা খামেনি
  • ইরানের হরমুজগান প্রদেশের অন্তর্গত কেশম দ্বীপের স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি: আল জাজিরা
    কেশম দ্বীপ: হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও ভূতাত্ত্বিক বিস্ময়
  • সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ দ্রুত সম্পন্ন করার বিকল্প নেই: গভর্নর
    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ দ্রুত সম্পন্ন করার বিকল্প নেই: গভর্নর
  • ছবি: ইপিএ
    হরমুজ রক্ষায় ‘হয়তো আমাদের থাকারই দরকার নেই, কারণ আমাদের তেলের অভাব নেই’: ট্রাম্প

Related News

  • এআই-নির্ভর গেম ডেভেলপমেন্টের যুগ: সামনে কী আসছে?
  • নিনজা: টুইচের সবচেয়ে বড় স্ট্রিমারের ক্যান্সার ধরা পড়ল
  • স্লিপ স্ট্রিম: ঘুমের দৃশ্য সম্প্রচার করে তারকারা যেভাবে আয় করছেন হাজার হাজার ডলার
  • গেমিং স্ট্রিমার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চান? 

Most Read

1
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

'এমনটা ঘটার কথা ছিল না; আমরা স্তম্ভিত': উপসাগরীয় মিত্রদের ওপর ইরানের পাল্টা হামলায় বিস্মিত ট্রাম্প

2
ফাইল ছবি: ইউএস নেভি
আন্তর্জাতিক

মার্কিন রণতরীতে ৩০ ঘণ্টা ধরে জ্বলেছে আগুন, অসুস্থ কয়েক সেনা, মেঝেতে ঘুমাচ্ছেন ৬০০ নাবিক

3
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

কয়েক মিনিটের ব্যবধানে রক্ষা, যেভাবে নিশ্চিত মৃত্যু থেকে 'বেঁচে ফিরলেন' মোজতবা খামেনি

4
ইরানের হরমুজগান প্রদেশের অন্তর্গত কেশম দ্বীপের স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি: আল জাজিরা
আন্তর্জাতিক

কেশম দ্বীপ: হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও ভূতাত্ত্বিক বিস্ময়

5
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ দ্রুত সম্পন্ন করার বিকল্প নেই: গভর্নর
অর্থনীতি

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ দ্রুত সম্পন্ন করার বিকল্প নেই: গভর্নর

6
ছবি: ইপিএ
আন্তর্জাতিক

হরমুজ রক্ষায় ‘হয়তো আমাদের থাকারই দরকার নেই, কারণ আমাদের তেলের অভাব নেই’: ট্রাম্প

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net